শেষ ষোলো ফিরতি লেগ: ম্যানচেস্টার সিটি ১-২ রিয়াল মাদ্রিদ
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর প্রথম লেগে ৩-০ গোলে হার। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ইতিহাস গড়তে হতো ম্যানচেস্টার সিটিকে। ইতিহাদে ফিরতি লেগে পেপ গার্দিওলার দল ১০ জন নিয়ে সেই চেষ্টা করলেও শেষ ষোলো থেকে বিদায় এড়াতে পারল না। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোলে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ফিরতি লেগ ২-১ গোলে হেরেছে সিটি। অফসাইডের কারণে সিটির দুটি গোল বাতিল হয়, রিয়ালের একটি। নিশ্চিত গোল বাঁচাতে গোল-লাইনে হ্যান্ডবল করে ২০ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন সিটি মিডফিল্ডার বের্নার্দো সিলভা।
দুই লেগ মিলিয়ে সিটিকে ৫-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল রিয়াল।
ফিরতি লেগ যে উপভোগ্য হতে যাচ্ছে, সেটা পরিস্কার হয়ে যায় খেলা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই। প্রথম ৫ মিনিটেই গোল হওয়ার মতো তিনটি আক্রমণ; দুটি সিটির, একটি রিয়ালের। ১ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পাস থেকে সিটি গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মাকে সামনে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি ফেদে ভালভের্দে। তৃতীয় ও চতুর্থ মিনিটে সিটির রায়ান চেরকি ও রদ্রির দুটি শট ঠেকান রিয়ালের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া।
এমন আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মধ্যে গোলও চলে আসে কিছুক্ষণের মধ্যেই। ১৭ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের শট সিটির পোস্টে লাগে, আবারও তাঁর শট নিশ্চিত জালের দেখা পেত, যদি সিটির বের্নার্দো সিলভা ক্লিয়ার করতে গিয়ে হ্যান্ডবল না করতেন। ভিএআরে নিশ্চিত হয়ে সিটি মিডফিল্ডারকে ২০ মিনিটে লাল কার্ড দেখান রেফারি। পেনাল্টি পায় রিয়াল। প্রথম লেগে পেনাল্টি মিসের প্রায়শ্চিত্ত ফিরতি লেগে করেন ভিনিসিয়ুস। তখন ম্যাচের ২২ মিনিট।
প্রথমার্ধের ৪১ মিনিটে জটলার ভেতর থেকে গোল করে গত সপ্তাহ ধরে নিজের গোলখরা কাটান সিটি স্ট্রাইকার হলান্ড। ১-১ গোলে প্রথমার্ধ শেষে মাঠ ছাড়ার সময়ও সেই ৩ গোলের ব্যবধানেই পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা।
বিরতির পর কোর্তোয়াকে তুলে পোস্টে বদলি হিসেবে আন্দ্রে লুনিনকে নামান রিয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া। এই অর্ধে জেরেমি ডকুর ও রদ্রির একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। যোগ করা সময়ে এক মিনিটে ভিএআরে বাতিল হয় ভিনির গোল। কিন্তু তিন (৯৩) মিনিটের সময় অঁরেলিয়ে চুয়ামেনির পাস থেকে সিটির বক্সে ঢুকে গোল করেন ভিনি। ফিরতি শটে গোল করেন।






