এক সপ্তাহের বেশি ভারতে আটকে থাকার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সব খেলোয়াড় নিজ দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই খবর জানিয়েছে আইসিসি।
বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার ২৯ জন এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৬ জন সদস্য নিজ নিজ দেশের উদ্দেশে বিমানে চড়েছেন। দুই দলের কিছু খেলোয়াড় ও স্টাফ এর আগেই দেশে ফিরে গেছেন।
.দুবারের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ মার্চ সুপার এইটে ভারতের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়। আর দক্ষিণ আফ্রিকা বিদায় নেয় আরও তিন দিন পর, ৪ মার্চ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে।
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংকটের কারণে বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়ায় আইসিসি চার্টার্ড ফ্লাইটে খেলোয়াড়দের দেশে ফেরানোর চেষ্টা করলে তা বারবার বিলম্বিত হয়েছে।
.তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দেশ ছাড়তে না পারলেও এ দুই দলের পর টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েও আগে ভারত ছাড়ে ইংল্যান্ড। ৫ মার্চ সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হারের দুই দিনের মধ্যেই ৭ মার্চ চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফেরেন হ্যারি ব্রুকরা।
এ নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হতাশা প্রকাশ করেন একাধিকবার। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের কুইন্টন ডি কক, ডেভিড মিলারও ইনস্টাগ্রামে আইসিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন। আইসিসি গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
.জিম্বাবুয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলও ভারতে আটকা পড়েছে.নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আজ ফ্লাইট বিলম্বের ব্যাখ্যায় লিখেছে, ‘পুরো সময়জুড়ে আইসিসির অপারেশনস এবং লজিস্টিকস দলগুলো সরকার, এয়ারলাইনস, চার্টার্ড বিমান সরবরাহকারী, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সদস্য বোর্ডগুলোর সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছে। সবার উদ্দেশ্য ছিল চারপাশের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া নানা বাধা সংকট ওঠা। বাকি থাকা সব খেলোয়াড় এবং কর্মীদের নিরাপদে ফেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য ছিল, যার জন্য পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের বারবার পরিকল্পনা বদলাতে হয়েছে।’
৮ মার্চ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত।
.ড্যারেন স্যামির আকুতি, ‘আমি বাড়ি ফিরতে চাই’





