ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী নারীকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিতে বলেছেন।
গতকাল রোববার রাত নয়টার পর ওই গৃহবধূ দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন বলে পরিবারের অভিযোগ।
তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. সামসুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘হাসপাতালে আনার সময় ওই নারী খুবই অসুস্থ ছিলেন। তাঁর প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলেও ততটা গভীর ছিল না। আমাদের এখানে নারী চিকিৎসক না থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।’
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ভুক্তভোগী নারী সুস্থ হলে মামলা হবে। পুলিশ আলামত সংগ্রহের পর ওই নারীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে।
চিকিৎসক, ওসি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভুক্তভোগী নারী স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না। তাঁর কথা কিছুটা তোতলানো ও কিছুটা বাক্প্রতিবন্ধীর মতো মনে হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ি বরিশালে। এক সন্তান হওয়ার পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে ভোলার তজুমদ্দিনে বাবার বাড়িতে রেখে যান।
ওই নারীর পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, তজুমদ্দিন উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার পাঁচ দিনব্যাপী কীর্তনের আয়োজন শুরু হয়। গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে ওই গৃহবধূ সেখানে যান। তিন বখাটে তাঁকে মুখ চেপে ধরে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন।






