বর্তমান সরকারই চব্বিশের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান—সব আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল সাম্য, ন্যায়বিচার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা। জনগণের রায়ে গঠিত বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করবে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাট শহরের ডা. আবুল কাশেম ময়দানে অবস্থিত শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সালাম-বরকতদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ আমাদের শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রেরণা জুগিয়েছে। দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের লক্ষ্যও ছিল একই—ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সম্পদের সুষম বণ্টন এবং মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনে পদায়ন ও মূল্যায়নের একমাত্র মাপকাঠি হবে সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতা। একটি ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এসময় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব।

এছাড়াও বিশাল মিছিল নিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা যুবদলের একটি বিশাল টিম। উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এটিএম শাহনেওয়াজ কবির শুভ্র এবং সদস্য সচিব মোক্তাদুল হক আদনান সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট, জয়পুরহাট প্রেসক্লাব, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।