৪ ধরনের জ্ঞান শিক্ষা করা সবার জন্য ফরজ
একজন মুসলমানের জন্য কমপক্ষে এতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক, যতটুকু না হলে ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো পালন করা তার জন্য অসম্ভব।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
একজন মুসলমানের জন্য কমপক্ষে এতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক, যতটুকু না হলে ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো পালন করা তার জন্য অসম্ভব।
ইসলামে উসুল ও উদ্দেশ্যভিত্তিক দর্শন বা ‘মাকাসিদুশ শরিয়াহ’ নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এখানে ধর্ম এবং মানবসত্তা হলো সেই দুটি মূল ভিত্তি বা উপরি-সাংবিধানিক মূলনীতি।
কোরআনের এই ব্যাকরণিক যোগসূত্র প্রমাণ করে যে, সুরা ফিলের ঘটনা না ঘটলে সুরা কোরাইশের ‘নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সুবিধা’ (ই–ইলাফ)-র কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিই থাকে না।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার জ্ঞানতত্ত্ব অনুযায়ী সত্যের উৎস এক এবং সব সহি জ্ঞান অবশেষে একই হাকিকতের দিকে অগ্রসর হয়; এই প্রেক্ষাপটে সত্যের মানদণ্ড ও যাচাইকরণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা।
বুফে পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারিত থাকলেও বিক্রীত খাবারের পরিমাণ ও ধরন নির্দিষ্ট থাকে না। তাই ইসলামে এ ধরনের চুক্তি বাহ্যিক দৃষ্টিতে বৈধ হওয়ার কথা নয়।
কেন আমাদের সৃষ্টি করা হলো? কেন জীবনের পর মৃত্যু অবধারিত করা হলো? মৃত্যুর পর কি সবকিছুর সমাপ্তি, নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও বড় কোনো উদ্দেশ্য?
রাসুল (সা.) দুপুরের পরিশ্রান্ত ভাব কাটানোর এমন একটি সহজ, স্বাস্থ্যকর ও প্রশান্তিকর অভ্যাস শিখিয়ে গেছেন, যা শরীরকে সতেজ করার পাশাপাশি ইবাদতের শক্তিও জোগায়।
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
আল্লাহর অসংখ্য নামের মধ্যে কোন নামে তাঁকে ডাকবেন, কোন নামের তাৎপর্যই–বা কী। মনের ভেতরে অনেক কথা জমে আছে—বলতে চান,
অনেকে নিজের চরিত্র, যোগ্যতা কিংবা কর্মস্পৃহা বাড়াতে আগ্রহী নন, কিন্তু তাঁর পরিবার কতটা সম্ভ্রান্ত ছিল কিংবা পূর্বপুরুষের সমাজে কী প্রতিপত্তি ছিল—তার গর্বের শেষ নেই।
পিতার শেকলে বন্দি থেকেও দুই ভাইয়ের ধর্মীয় দায়বোধ ও সংগ্রামের নানা পর্যায়—বদর, হোদাইবিয়া ও মক্কা বিজয়ের প্রেক্ষাপটে বর্ণিত।
তিনি উটের পিঠ থেকে নামার উদ্যোগ করতেই আলী ও আবু লুবাবার বুক কেঁপে উঠল। মরুভূমির তপ্ত বালুতে নবীজি হাঁটবেন, আর তাঁরা উটের পিঠে আরাম করবে?