বেহেশতে গেলেও যে আমলের আফসোস থাকবে
জীবনে যে যত বেশি ভালো আমল করবে, তিনি তত বেশি উঁচু স্তরে থাকবেন। কেউ তার প্রাপ্যের চেয়ে কম পাবেন না। এখানেই আফসোসের জায়গাটা।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
জীবনে যে যত বেশি ভালো আমল করবে, তিনি তত বেশি উঁচু স্তরে থাকবেন। কেউ তার প্রাপ্যের চেয়ে কম পাবেন না। এখানেই আফসোসের জায়গাটা।
তাঁদের অর্জিত বিপুল ধনসম্পদ কখনো ব্যক্তিগত ভোগবিলাস বা ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়নি; বরং তা ব্যবহৃত হয়েছে সমাজকল্যাণ, মানবিক পুনর্বণ্টন এবং রাষ্ট্রীয় সংকট নিরসনে।
একজন সাধারণ নাগরিকের বাড়ির নকশা কেমন হবে এবং আলো-বাতাসের ব্যবস্থা কীভাবে বজায় রাখা হবে—এসব ভাবনা ইসলামি জীবনধারা ও প্রতিবেশীদের পারস্পরিক অধিকারের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যায়।
ইসলামে বিরতি বা ছুটি কাটানো কোনো অন্যায় নয়; বরং এটিকে যদি সঠিক নিয়তে ও পরিকল্পনামতো কাজে লাগানো যায়, তবে তা মানসিক শক্তি পুনরুদ্ধারে দারুণ ভূমিকা রাখে।
জুমার খুতবা চলাকালীন দানবাক্স বা ব্যাগ ঘুরিয়ে টাকা সংগ্রহের শরয়ী বিধান এবং খুতবার আদব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
ইবনে রুশদ শিখিয়েছেন যে ধর্মীয় নিষ্ঠা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা বিপরীতমুখী বিষয় নয়। তাঁর আলোকিত চিন্তা ইউরোপে রেনেসাঁর ভিত্তি নির্মাণ করে, যা ‘অ্যাভারোইজম’ নামে খ্যাত।
কিছু রিজিক একই সঙ্গে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য, যেমন শারীরিক সুস্থতা। তবে এসব কিছুর ওপরে পরম এক রিজিক রয়েছে, তা হলো ইমান, সুদৃঢ় বিশ্বাস এবং একটি জীবন্ত ও সংবেদনশীল হৃদয়।
বিজ্ঞান ও ধর্মের নিজস্ব সীমানা এবং জ্ঞানের স্তরবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার দর্শনের বিশ্লেষণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সৌজন্যে অন্যের হাসিখুশি মুখ আর কৃত্রিম সুখের ছবিটাই বেশি দেখি। অথচ একটু আগেই হয়তো সে কারও সঙ্গে রাগারাগি করেছে বা একা বসে কান্না করেছে।
মুসলিম ঐতিহাসিকেরা ইতিহাস লিখনপদ্ধতিতে দুটি প্রধান বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। ইতিহাসকে রূপকথা বা অতিরঞ্জন থেকে মুক্ত করে তথ্যভিত্তিক ও যৌক্তিক বিজ্ঞানে রূপান্তর করার কৃতিত্ব মুসলমানদের।
ফকিহগণ এ নিয়ে মতভেদ করেছেন যে মিসওয়াক নির্দিষ্টভাবে অজুর সুন্নত, নাকি নামাজের সুন্নাহ, নাকি ইসলামের একটি সাধারণ সুন্নত, যা সর্বাবস্থায় ও সর্বসময়ে কাম্য?
নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী, প্রাণবন্ত ও ভালোবাসায় ঘেরা। তাঁর ঘর কোনো যান্ত্রিক বা আবেগহীন স্থান ছিল না; বরং তা ছিল মানবিক অনুভূতির এক জীবন্ত কেন্দ্র।