তুষারশুভ্র মস্কোয় সংহতির ইফতার
প্রায় এক হাজার বছর আগে, ৯২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রাচীন ভলগা বুলগেরিয়া অঞ্চলে ইসলাম রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত হয়েছে। খ্রিষ্টধর্মের প্রসারেরও ৬৬ বছর আগে এই অঞ্চলে ইসলামের আলো পৌঁছেছে।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
প্রায় এক হাজার বছর আগে, ৯২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রাচীন ভলগা বুলগেরিয়া অঞ্চলে ইসলাম রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত হয়েছে। খ্রিষ্টধর্মের প্রসারেরও ৬৬ বছর আগে এই অঞ্চলে ইসলামের আলো পৌঁছেছে।
নীল নদ আর পিরামিডের দেশ মিসর। মিসরিদের কাছে রমজান মানে ‘ফানুস’, ‘মাদফা’ (ইফতারের কামান) আর পাড়া-পড়শির সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এক দীর্ঘ দস্তরখানের গল্প।
রমজান এলে অনেক গর্ভবতী বোনের মনে প্রশ্ন জাগে—আমি কি রোজা রাখতে পারব? না রাখলে কি গুনাহ হবে? আমার ইবাদত কি কমে যাবে?
রমজান কেবল ক্ষুধার্ত থাকার নাম নয়, বরং এটি স্রষ্টার সঙ্গে এক গভীর মিতালি এবং নিজের আত্মাকে নতুন করে চেনার এক অনন্য সুযোগ।
এশার নামাজের পর থেকে ফজরের ওয়াক্তের আগপর্যন্ত তথা সাহ্রির শেষ সময় পর্যন্ত তারাবিহর নামাজ পড়া যায়। একসঙ্গে ২০ রাকাত পড়তে না পারলে আলাদাভাবেও পড়া যাবে।
লন্ডনের আরেকটি জনপ্রিয় ইফতার আয়োজন হলো ‘ইফতার স্ট্রিট’। লন্ডনের ফিনসবারি পার্ক মসজিদের সামনের রাস্তাটি ইফতারের সময় এক বিশাল দস্তরখানে পরিণত হয়।
ঘরটির আয়তন ছিল মাত্র ছয়–সাত হাত। দেয়াল মাটির তৈরি, ছাদ খেজুরগাছের ডাল দিয়ে বানানো, এতটাই নিচু যে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যেত।
তাদের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস, পবিত্র রমজান মাসে মাথায় যে নতুন চুল গজাবে, তা সারা বছরের জন্য বিশেষ বরকত বা কল্যাণ বয়ে আনবে।
সূর্যাস্তের সময় পরাজিত মঙ্গোলরা পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরদিন পলায়নকালে মুসলিমদের হাতে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। এই বিজয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মঙ্গোল আগ্রাসনের অবসান ঘটে।
রমজানের দরজা সবার জন্যই খোলা—সুস্থ ও অসুস্থ, শক্ত ও দুর্বল, প্রস্তুত ও অপ্রস্তুত সবার জন্য। এই লেখা তাঁদের জন্য, যাঁরা চাইছেন কিন্তু পারছেন না, চেষ্টা করছেন কিন্তু পিছিয়ে পড়ছেন।
ধনী-গরিব নির্বিশেষে আশি হাজার মানুষ যখন ববফরাসের পড়ন্ত বিকেলের সূর্য আর সমুদ্রের মৃদু বাতাসের মাঝে ইফতার করেন, তখন তা এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণা করে।
৯১ হিজরির পহেলা রমজানে একটি ছোট এবং সতর্ক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তী ৮০০ বছর ইউরোপের বুকে মুসলিম সভ্যতার বাতিঘর হয়।