রমজানে যেভাবে কাটত নবীজির দিনকাল
রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর
রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
জার্মানির শহরগুলোতে এখন আর ইফতার কেবল ঘরের চার দেয়ালে বা মসজিদের ভেতরে সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে রাজপথে, এমনকি চার্চের আঙিনাতেও।
এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।
রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।
রমজানে পাড়ায় পাড়ায় গণ-ইফতারের আয়োজন করা হয়। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পথচারী ও অভাবী মানুষের জন্য সাজিয়ে রাখা হয় ইফতারের বাক্স। একে বলা হয় ‘তাকাসুল’।
<p>ইতিহাসের পাতায় ৬ রমজান দিনটি ‘মহাসাড়া’র দিন হিসেবে চিহ্নিত। এই দিনে মজলুম নারীদের আহ্বানে খলিফা মুতাসিম বিল্লাহর বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যে অভিযান চালান, একই দিনে এক কিশোর...
মুসলমানদের কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অমান্য করলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও শাসকদের অপসারণের হুমকি দেওয়া হয় এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভয় প্রদর্শন করা হয়।
ইথিওপিয়ার রমজান কেবল মুসলিমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। রাজধানী আদ্দিস আবাবায় দেখা যায় যেখানে খ্রিষ্টান প্রতিবেশীরা তাদের মুসলিম সহকর্মীদের জন্য ইফতারের খাবার তৈরি করে আনছেন।
এই দিনে একদিকে যেমন মহান বিজয়ের পদধ্বনি শোনা যায়, তেমনি আধুনিক ইতিহাসের এক বিষাদময় অধ্যায় হিসেবে এটি ফিলিস্তিনের ‘নাকবা’ বা মহাবিপর্যয়ের সাক্ষী।
প্রবীণদের মেহমানদারিতে কেবল ঐতিহ্যবাহী আপ্যায়নই যথেষ্ট নয়; বরং তাঁদের বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং মানসিক সংবেদনশীলতার প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।
৪ রমজান এক কৌশলগত মোড় পরিবর্তনের দিন। এই দিনে একদিকে মদিনার ইসলামের প্রথম সামরিক পতাকা উড্ডীন হয়, অন্যদিকে ১৭০ বছরের ক্রুসেড দখলদারির অবসান ঘটে।
৩ রমজান দিনটি বেশ বৈচিত্র্যময়। একদিকে এই দিনে ইসলামের প্রথম সশস্ত্র সংগ্রামের যাত্রা শুরু হয়, অন্যদিকে এই দিনেই পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছিলেন মহানবীর কন্যা ফাতিমা (রা.)।