
অজু-গোসলের পর শরীর মুছলে সওয়াব কমে না
অজু বা গোসলের পর শরীর মুছা জায়েজ কি না—এই বিষয়ে আলেমদের মতামত বিভক্ত। অধিকাংশের মতে এতে কোনো দোষ নেই এবং সওয়াব কমে না। বিভিন্ন মাজহাবের ফকিহদের দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

অজু বা গোসলের পর শরীর মুছা জায়েজ কি না—এই বিষয়ে আলেমদের মতামত বিভক্ত। অধিকাংশের মতে এতে কোনো দোষ নেই এবং সওয়াব কমে না। বিভিন্ন মাজহাবের ফকিহদের দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা।

ইসলামে মানুষের মর্যাদা তাকওয়া দ্বারা বিচার হয়, বংশ বা রূপ নয়। সাহাবি জুলাইবিব (রা.)-এর ঘটনা এর উজ্জ্বল উদাহরণ। কোরআন ও হাদিস থেকে সাম্যের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

হজরত আয়েশা (রা.) নিজ হাতে ঘরের কাজ করতেন এবং নবীজির যত্ন নিতেন অত্যন্ত নিবেদনের সাথে। তাঁর অতিথিপরায়ণতা ও দায়িত্ববোধ বর্তমান সমাজের জন্য অনুকরণীয়। হাদিসের উল্লেখসহ তাঁর জীবনের এই দিকগুলো বর্ণিত হয়েছে।

ইসলামে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে বদদোয়া করা জায়েজ, তবে শরিয়ত নির্দিষ্ট সীমা ও নিয়ম দিয়েছে। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের মতামত থেকে এর বিধান বোঝা যায়। মজলুমের জন্য এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, কিন্তু সীমালঙ্ঘন নিষিদ্ধ।

বিয়ের বিলম্বে অনেকে নির্দিষ্ট দোয়া খোঁজেন, কিন্তু ইসলামে এর জন্য কোনো ধরাবাঁধা দোয়া নেই। পরীক্ষায় ধৈর্য ধরে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকাই মুমিনের করণীয়। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের উক্তি থেকে জানুন বিস্তারিত।

ইমাম ইবনুল কাইয়িম বিষয়টি জোরালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, অজুর শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ এবং শেষে শাহাদত পাঠ ছাড়া মাঝখানে কোনো বিশেষ দোয়া পড়া সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

পবিত্র কুরআনের সুরা নাসর মক্কা বিজয়ের সুসংবাদ দিয়ে ইসলামের প্রসার ঘটায় এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায়ের ইঙ্গিত বহন করে। এতে তসবিহ, ইস্তিগফারের নির্দেশ এবং কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিজয়ের মুহূর্তে বিনয় ও শুকরিয়ার বার্তা এই সুরার মূল শিক্ষা।

আজ পবিত্র ইস্টার সানডে পালিত হচ্ছে যিশুখ্রিষ্টের পুনরুত্থানের স্মরণে। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী খ্রিস্টানরা উৎসবমুখরে দিনটি উদযাপন করছেন ইস্টার এগ, পারিবারিক মিলন ও সম্প্রীতির মাধ্যমে। এটি ভালোবাসা, ত্যাগ ও নতুন জীবনের প্রতীক।

নবীজি (সা.)-এর প্রিয় উট কাসওয়া হিজরত, মসজিদে নববী নির্মাণ, হোদাইবিয়া সন্ধি সহ নবুয়তের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিল। সিরাত-হাদিসে এর বিবরণ মর্যাদার সঙ্গে পাওয়া যায়। নবীজির ইন্তেকালের পর এটি শোকাহত হয়ে মারা যায়।

ইসলামে অবৈধ সম্পদ থেকে দায়মুক্তির উপায় কী যদি মালিক খুঁজে না পাওয়া যায়? ফকিহদের তিন মতামত এবং সাহাবির উদাহরণসহ ব্যাখ্যা। আলেমদের পরামর্শ অনুসরণ করে তওবা সম্পূর্ণ করা যায়।

হজরত ওমর (রা.)-এর বর্ণনায় নবীজি (সা.)-এর মজলিসে মানুষের রূপে জিবরাইল (আ.)-এর আগমন ঘটে। তিনি ইসলাম, ইমান, ইহসান এবং কিয়ামতের লক্ষণ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। এই হাদিস দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রকাশ করে।

ইসলামে ঘুষ মহাপাপ, তবে আধুনিক ফকিহরা তিন শর্তে দাতার জন্য ছাড় দিয়েছেন, গ্রহীতার জন্য নয়। হাদিসে দাতা-গ্রহীতা ও মধ্যস্থতাকারীদের লানতের কথা আছে। নাম পরিবর্তন করলেও অনৈতিক লেনদেন ঘুষই থাকে।