
‘নির্মাণ হয় না কবিতার; যা হয়, তা হলো সৃজন—ফুল ফুটিয়ে তোলার মতো করে’
বাংলা ভাষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি মাসুদ খান। তাঁকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে (২০২৫) সম্মানিত করা হয়। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাথী নন্দী।
এই বিভাগের সকল সংবাদ

বাংলা ভাষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি মাসুদ খান। তাঁকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে (২০২৫) সম্মানিত করা হয়। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাথী নন্দী।

বাংলাদেশের সমসাময়িক শিল্পচর্চায় আজ একদিকে রয়েছে বাস্তবানুগ বা ফটোগ্রাফিক দক্ষতার প্রতি প্রবল আকর্ষণ, অন্যদিকে রয়েছে প্রকৃতি ও বাস্তবতাকে আত্মস্থ করে সেটিকে নতুন নন্দনভাষায় রূপ দেওয়ার প্রবণতা। রাজধানীর গ্যালারি কায়ার ২২তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ দলগত প্রদর্শনীটি দ্বিতীয় প্রবণতার এক বিস্তৃত ও তাৎপর্যপূর্ণ মানচিত্র হাজির করেছে। প্রদর্শনীতে ৪৫ জন আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্পীর ৭৩টি নির্বাচিত শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। ১৯৫৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় সাত দশকের শিল্পযাত্রাকে একত্র করেছে এই আয়োজন।

জর্জ অরওয়েল (২৫ জুন ১৯০৩—২১ জানুয়ারি ১৯৫০) তাঁর দুটি কাজের জন্য বিখ্যাত। একটি রূপকাশ্রয়ী উপন্যাস অ্যানিমেল ফার্ম। এটি স্তালিনবাদের সিস্টেমের বিরুদ্ধে লেখা। অন্যটি ডিস্টোপিয়ান উপন্যাস নাইনটিন এইটি ফোর। এ দুটি উপন্যাসেই লেখক ক্ষমতাবানদের প্রশ্ন করেছেন ও দেখিয়েছেন ‘ক্ষমতা’ কীভাবে নিপীড়ক সংস্থার হয়ে কাজ করে। ক্ষমতাবান (বিগ ব্রাদার বা বড় ভাই) কীভাবে নজরদারিতে রাখে সাধারণ মানুষকে শাসন করার জন্য।

‘ভূমি গ্যালারি’র উদ্বোধনী প্রদর্শনীর সাফল্যের পর, এবার তিন প্রজন্মের ১০ শিল্পীর সমসাময়িক কালে আঁকা চিত্রকর্ম নিয়ে ‘পারসিসটেন্স’ অর্থাৎ ‘সংকল্প’ নামে বিশেষ একটি চিত্রকর্ম প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১৯ জুন শুক্রবার। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আগে ও পরের অর্থাৎ গত শতকের সত্তর ও আশির দশকের আটজন স্বনামধন্য চিত্রশিল্পীর সঙ্গে এ শতকের শূন্য ও ১০ দশকের অপেক্ষাকৃত তরুণ দুজন শিল্পীও এ প্রদর্শনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এই দুই শিল্পী সহিদ কাজী ও আবদুল্লাহ আল বশীর।

‘আর্থার মিলারের সাক্ষাৎকার’টি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠ অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। সাক্ষাৎকারটি আজ প্রথমবারের মতো ‘অন্য আলো’র অনলাইন পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

নিকষ কালো মেঘে ঢাকা আকাশ, সঙ্গে দুদ্দাড় বৃষ্টি। কার্নিশে চুপচুপে ভেজা বাদামি রঙের একটা চড়ুই ডানা ঝাপ্টাচ্ছে। শোভনের সঙ্গে প্রথম যেদিন আমার কথা হয়, কিছুটা সখ্য গড়ে ওঠে, সেদিনও ছিল আজকের মতো অবিশ্রান্ত বৃষ্টির দিন।

বিশ শতকের দর্শনের ইতিহাসে ফরাসি দার্শনিক জিল দল্যুজ (১৮ জানুয়ারি ১৯২৫—৪ নভেম্বর ১৯৯৫) এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী নাম। তিনি এমন এক দার্শনিক, যিনি শুধু নতুন কিছু ধারণা প্রস্তাব করেননি, বরং চিন্তা করার প্রচলিত পদ্ধতিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। পাশ্চাত্য দর্শনের দীর্ঘ ইতিহাসে পরিচয়, সত্য, সত্তা, যুক্তি, চেতনা কিংবা মানুষের প্রকৃতি নিয়ে যে ধরনের আলোচনা প্রচলিত ছিল, দল্যুজ সেই আলোচনার কেন্দ্রে একটি মৌলিক পরিবর্তন আনেন। তাঁর কাছে দর্শনের কাজ কোনো চূড়ান্ত সত্য আবিষ্কার করা নয়, বরং নতুন ধারণা সৃষ্টি করা।

অনিন্দিতা অনির এই প্রদর্শনী তাই কেবল নারীর গল্প নয়; এটি স্মৃতি, সময়, শরীর, সম্পর্ক ও অস্তিত্বের এক দীর্ঘ যাত্রার দৃশ্যরূপ। পাথরের নীরবতার ভেতর তিনি শুনিয়েছেন নারীর বহু উচ্চারিত ও অনুচ্চারিত কাহিনি। আর সেই কাহিনি পড়তে পড়তে দর্শকের মনে হয়—এ যেন রংতুলিতে লেখা এক উপন্যাস, যার প্রতিটি অধ্যায় একটি পাথর, আর প্রতিটি পাথরের ভেতর লুকিয়ে আছে এক একটি জীবন।

চাইছিলাম রিমঝিমকে; চাইছিলাম সীমাকে সীমা আটকে আছে কাঁটাতারের বেড়াতে রিমঝিম সে–ও ভুলতে পারছে না স্মৃতির মানুষটাকে

ফুটবল বিশ্বকাপ বা বড় কোনো টুর্নামেন্ট এলেই এই ঘটনাটা মনে পড়ে। একা একা হাসি। আবার একই সঙ্গে একধরনের ধূসরতা ছুঁয়ে যায়। হাজার হাজার মাইল দূরের একটা দেশের হারে আমার দেশের মানুষের এত উন্মাদনা হয় কী করে?

শাহাদুজ্জামানের গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠ অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো অন্য আলোর অনলাইন পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

দ্বাদশ-ত্রয়োদশ শতাব্দীর মরমি কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তারের ‘তাজকিরাত আল-আউলিয়া’ ফারসি ভাষায় রচিত সুফিদের জীবনীভিত্তিক একটি আকরগ্রন্থ। বাংলায় এর আক্ষরিক অর্থ ‘সাধুদের জীবনী’। মূল বইটির পরিসর অনেক বিস্তৃত; কিন্তু ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ এবং তাসাউফ ও ফারসি সাহিত্যের পণ্ডিত এ জে আরবেরি (১৯০৫-১৯৬৯) বইটির একটি অ্যাব্রিজড বা সংক্ষিপ্ত ভার্সন প্রকাশ করেছেন। ২০০০ সালে ইংরেজি ভাষায় এটি ‘মুসলিম সেইন্টস অ্যান্ড মিস্টিকস’ নামে বের হয়। বইটিতে ৩৮টি অধ্যায়ে ভাগ করে সুফি সাধক ও তাঁদের জীবনের নানা অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ করেছেন আরবেরি। এর একটি অধ্যায় সিজিস্তান বা বর্তমান আফগানিস্তানসংলগ্ন অঞ্চলের অধিবাসী প্রখ্যাত সুফি সাধক মালেক ইবনে দিনারের নামে।