
ইগল-পৃথিবী
ঝড় উঠুক, উঠুক অনিবার্য কোনো নিয়তির মতো বৈশাখের উন্মত্ত নিশ্বাসে ভেঙে যাক মানুষের অহংকারে গড়া দালান, ধূলিসাৎ হোক ইট-কাঠের সভ্যতার মিথ্যা গৌরব, আছড়ে পড়ুক বৃক্ষেরা—
এই বিভাগের সকল সংবাদ

ঝড় উঠুক, উঠুক অনিবার্য কোনো নিয়তির মতো বৈশাখের উন্মত্ত নিশ্বাসে ভেঙে যাক মানুষের অহংকারে গড়া দালান, ধূলিসাৎ হোক ইট-কাঠের সভ্যতার মিথ্যা গৌরব, আছড়ে পড়ুক বৃক্ষেরা—

আজকের আলোচনার শিরোনামে তিনটি শব্দ আছে: ‘সংস্কৃতি’, ‘বাংলাদেশ’ ও ‘খোঁজ’। ‘সংস্কৃতি’ বলতে সাধারণ মানুষেরা বোঝেন শিল্পসাহিত্য।

এ পথের অর্ধেক আলোয় অন্ধ কিছু কাক ক্রমে উড়ে যায়, যখন সন্ধ্যা ধীরে পথ থেকে নেমে পথহীনতায় যেতে থাকে তবু কিছু ছেঁটে ফেলা ঝোপঝাড়ে নাগরিক জোনাকিগুলো

ভোর হয় ধীরে, দোতারা খঞ্জনি কত কী বাতাসে বটতলে বাউলের জলসায় আজ কে না যাবে, ঘুঙুরের শব্দে গাঢ় অন্ধকার ফিকে হয় যুবক-যুবতীরা উত্তাল, ঘাসবন ফুঁড়ে উঠে আসে।

আর যদি বাঙালি মুসলমান সমাজের পক্ষ থেকে ধরি, তাহলে বলতে হয়, তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘বাঙালি’ পরিচয় উচ্চকিত করা অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

মনোজ অধিকারীর চোখের দিকে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলল সুবর্ণা, ‘কাশিমপুর কত দূর! কেমনে যামু ওইখানে?’

তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।

বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।

ষোলো শতকের লাইলি-মজনুর পরিবেশনাশৈলী পনেরো শতকের শাহ মুহম্মদ সগিরের ইউসুফ-জোলেখার মতো ছিল বলেই মনে হয়।

এক অপূর্ব কবিতায় বিষামৃতময়ের রহস্যময় আকর্ষণ ফুটে উঠেছে। রুদ্র মধু থেকে বিষ উদ্ধারের যাত্রা, যৌবন-অন্ধকারের মিলন এবং নিজেকে খুঁজে পাওয়ার বিশ্বাসের কথা এতে বর্ণিত। পথে-বিপথে তীর্থপথের মতো এর অপেক্ষায় সকলে দাঁড়িয়ে আছে।

কথা-নীরবতার মাঝে প্রবাহিত ছোট নদীর মতো স্বপ্নগ্রস্ত জীবনের ছবি। আয়নার মায়া, হাসির স্মৃতি ও মধ্যরাতের নীরবতায় ঘেরা ভাবাতুর মুহূর্ত। এলাচের গন্ধে ভালোবাসা জাগিয়ে নর্দমার পাশেও বেঁচে থাকার কবিতা।

বসন্তের লাল গোলাপ নিয়ে এক কবিতা। প্রেম, প্রতারণা ও নির্জনতার ছোঁয়ায় ভরা এই রচনায় বর্ণিত হয়েছে উজ্জ্বল অসুখ এবং করুণ সৌন্দর্যের মিশ্রণ। ঘুমহীন সবুজ বসন্তের মধ্যে লুকিয়ে আছে প্রণয়ের গভীর রহস্য।