ঋষিণ দস্তিদারের কবিতা ‘কুকুর’ প্রকাশ
ঋষিণ দস্তিদারের রচিত ‘কুকুর’ শিরোনামের কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে শহর ও প্রকৃতির মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটেছে।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
ঋষিণ দস্তিদারের রচিত ‘কুকুর’ শিরোনামের কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে শহর ও প্রকৃতির মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটেছে।
জিয়াবুল ইবনের কবিতা ‘ম্যানিকুইন’
সরোজ মোস্তফার কবিতা ‘দিদি’
বাদশাহর নির্দেশ কর্মচারীদের ওপর—তাকে যেন দজলা নদীপথে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। নদীপথ অধিক সহজ ও সুবিধাজনক। বেদুইন এসেছিল স্থলপথে অধিক কষ্টে প্রতিকূল পরিবেশ পাড়ি দিয়ে। দজলার নদীপথ তার অচেনা।
তৎকালীন নাট্যমঞ্চ ও চলচ্চিত্রের সনাতন প্রথায় নারদ চরিত্রটি ছিল দীর্ঘ শ্মশ্রুমণ্ডিত, জটাধারী ও অন্ধ ভক্তির প্রবীণ আড়ষ্ট রূপক। নজরুল সেই কৃত্রিমতা ভেঙে পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন এক ক্লিন-শেভড, চুনো করা ঝাঁকড়া চুলের সুদর্শন ও প্রাণবন্ত যুবকের বেশে।
২৭ আগস্ট প্রেমভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ এবং সম্প্রচারে কঠোর বিধিনিষেধ চেয়ে পাঠানো আইনি নোটিশ দেখতে পাই। নোটিশদাতার দাবি, আমাদের নাটক ও চলচ্চিত্রে প্রেমের আধিক্য সাংস্কৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে, কিছু নির্মাণ পরকীয়া ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে স্বাভাবিক বা মহিমান্বিত করছে, তরুণদের পড়াশোনা ও পেশার প্রতি মনোযোগ কমাচ্ছে, এমনকি এর সঙ্গে পারিবারিক অবক্ষয়, পরকীয়া ও ধর্ষণের মতো অপরাধ বৃদ্ধিরও সম্পর্ক আছে।
১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসে এক বিরল আলোকচিত্রের জন্ম দেয়, যা শুধু দুজন মানুষের প্রতিকৃতি নয়, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের দুই মহিরুহ—কাজী নজরুল ইসলাম ও জসীমউদ্দীনের শেষ যুগল উপস্থিতির একমাত্র দৃশ্যমান দলিল।
বিশ্বজিৎ চৌধুরীর ‘নো আদার চয়েস’ বইটিতে রয়েছে ১১টি গল্প। গল্পগুলো পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, লেখক খুব পরিচিত জীবনকেই এমনভাবে দেখেন, যার অনেকটা আমরা প্রতিদিন দেখেও দেখতে চাই না।
অস্ট্রীয় কবি গেয়র্গ ট্রাকল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ট্রামা ও মানসিক চাপে ভুগে মানসিক হাসপাতালে থাকাকালীন ‘গ্রুডেক’ কবিতাটি রচনা করেন এবং পরবর্তীতে কোকেনের অতিরিক্ত সেবনে মৃত্যুবরণ করেন।
চীনের প্রাচীন ভবিষ্যদ্বাণীর গ্রন্থ ই চিং-এর ইতিহাস, দর্শন ও প্রভাব নিয়ে এই লেখা।
নজরুলের ‘দুখু’ নামের উৎস, পারিবারিক পরিচয়, বংশীয় ঐতিহ্য এবং তাঁর স্বভাবের ব্যাখ্যা নিয়ে যে সরলীকৃত ধারণা প্রচলিত হয়েছে, তা ইতিহাসসম্মত তথ্যের আলোকে নতুনভাবে দেখা জরুরি।
কাজী নজরুল ইসলাম মানেই যেন ‘বিদ্রোহী’ কবিতার অগ্নিময় উচ্চারণ। অথচ তাঁর গদ্যেও ধরা পড়ে সময়, রাজনীতি, সাম্য ও মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা। কথ্যভঙ্গি, তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জনতার প্রতি সরাসরি আহ্বানে গড়ে ওঠা সেই স্বতন্ত্র গদ্যভাষাই ‘নজরুলী গদ্য’। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে ফিরে দেখা সেই ‘অচেনা’ অথচ শক্তিশালী গদ্যভুবন।