বেনাপোল বন্দর দিয়ে টানা তিন বছর আমদানি–রপ্তানি কমেছে
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য টানা তিন অর্থবছর ধরে কমছে। আমদানি-রপ্তানি কমার পাশাপাশি রাজস্ব আয়েও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। সাফটা সুবিধায় আমদানি বাড়ায় শুল্ক আদায়ও কমছে।
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য টানা তিন অর্থবছর ধরে কমছে। আমদানি-রপ্তানি কমার পাশাপাশি রাজস্ব আয়েও পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। সাফটা সুবিধায় আমদানি বাড়ায় শুল্ক আদায়ও কমছে।
চতুর্দেশীয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে ধারাবাহিকভাবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। করোনা পরবর্তী সময়ে বাণিজ্যিক রুট সচল থাকায় চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ অর্থ জমা হয়েছে।
এক বছরের ব্যবধানে এই বন্দরের রাজস্ব আয় সোয়া ৫ কোটি টাকার বেশি কমে গেছে। বাণিজ্য বাড়াতে উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা।
বন্ধ হয়ে গেছে পণ্য ও যাত্রী পারাপার। তাতে বেকার পড়ে আছে রেলপথ, বহুমুখী স্টেশন ভবন, ইমিগ্রেশন–কাস্টমসের অবকাঠামো। নিভে গেছে স্থানীয় অর্থনীতির আশা।
এক বছর ধরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় টেকনাফ স্থলবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বড় অংশ দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর নিরাপত্তার কারণে এই বন্দর দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।
জামালপুরের বকশীগঞ্জের ধানুয়া-কামালপুর স্থলবন্দর দিয়ে তিন মাস ধরে পাথর আমদানি বন্ধ আছে। এ পরিস্থিতিতে প্রায় আট হাজার নারী ও পুরুষ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন এবং সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।