বেয়ার গ্রিলস ইন অ্যাডভেঞ্চারাস বাংলাদেশ
খুবই নাজেহাল অবস্থা। কিন্তু আমাকে টিকে থাকতে হবে। এখানকার মানুষেরা এভাবেই আদিম যুগের মতো বিদ্যুৎ–সমস্যার মধ্য দিয়েই জীবন যাপন করছে। দে আর ফাইটারস!
খুবই নাজেহাল অবস্থা। কিন্তু আমাকে টিকে থাকতে হবে। এখানকার মানুষেরা এভাবেই আদিম যুগের মতো বিদ্যুৎ–সমস্যার মধ্য দিয়েই জীবন যাপন করছে। দে আর ফাইটারস!
পরদিন সকালে দরজায় একজন। সাদা শার্ট, হাতে ফাইল। বলল, ‘ইনকাম ট্যাক্স অফিস থেকে। আপনার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে লাইফস্টাইল ম্যাচ করছে না।’
বল্টু কাঁপা কাঁপা হাতে ল্যাপটপ খুলে চ্যাটজিপিটিকে জানাল, ‘My 100,000 eggs are broken on the highway. What to do now?’
কিন্তু কিসের ছবি, এই টোকেন নিয়ে কাগজপত্র অ্যাপ্রুভ করাতে হবে। সেখানেও সিরিয়াল। টোকেনের নম্বর হলো সিরিয়াল নম্বর। এখন চলছে ১৪৫। ২৩০ কবে আসবে কে জানে।
পাঁচ শ টাকা মেরে দেওয়া বন্ধু বলল, টাকাটা দিলে যাইতে পারি, কিন্তু আমার কাছে মানিব্যাগটা নাই, সিন করলে মানিব্যাগ সাথে আসে না দোস্ত।
হারুনই তার বাবাকে ফেসবুক খুলে দিল। বলল, ‘বাবা, যুগের সাথে তাল মিলায়া চলেন।’ কাদের সাহেব বিরক্তি নিয়ে বললেন, ‘এই বয়সে কার লগে তাল মিলামু?’
বিদুৎ-বিড়ম্বনায় তাঁহারা যা লিখতেন.কিসের টানে বাংলাদেশে ?.ট্রাম্প আরও যা কিছু করতে বাধ্য করতে পারেন.বাংলা নাটকে বিসিএস ক্যাডার.ছাগল–কাণ্ড.সবজান্তা সমীপেষু.বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ.সামাজিক অভিধান.আপনি কত...
‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না, তুমি ভালো হতে চেষ্টা করো।’ তারপর আর কোনো প্রশ্নের উত্তর দেব না—নায়কের শেষ সংলাপের পর তো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজবেই!
বন্ধু অয়নও একটা পোস্ট শেয়ার করেছিল, ‘সিঙ্গেল আছি, শান্তিতে আছি। ভালোবাসা একটা মায়া। কাউকে ভালোবাসবেন না, তাহলে আপনার সুন্দর জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে।’
অমিতাভের বয়স ৪৮ বছর। তাঁর ট্রিপল মাস্টার্স আর পিএইচডি ডিগ্রি আছে, সাহিত্যে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার আছে, জাতিসংঘের প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে, দেশে-বিদেশে বক্তৃতা দেওয়ার আমন্ত্রণ আসে, তাঁর লেখা গল্প স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ছাপা হয়েছে। বইয়ের তাক ভরে আছে তাঁর নিজের লেখা বইয়ে; কিন্তু আত্মীয়স্বজনের কাছে এসবের ভেতরও বড় ঘাটতি আছে—তার অফিস নেই, চাকরি নেই।
‘ছোটবেলা থেকে সিনেমায় দেখেছি, নায়িকার বিয়েতে একজন না একজন আপত্তি তোলে। আমার বিয়েটা এত সাধারণ হোক, সেটা চাইনি। তাই একজনকে ভাড়া করেছি।’
চারদিকে আঁশটে গন্ধ, অনেক মানুষের কথাবার্তা। কেউ মাছের গায়ে পানি ছিটাতে গিয়ে আমার গায়ে পানি দিয়ে দিল। কাস্টমার আকৃষ্ট করার এ কেমনতর কৌশল! মোটামুটি বিরক্তির ভঙ্গি নিয়ে তাকাতে গিয়ে মাছওয়ালার চেহারা দেখে নিজেই চমকে গেলাম। পান খাওয়া দাঁত, মুখে চওড়া হাসি, লাল চোখ নিয়ে মাছওয়ালা জিজ্ঞেস করল
বাংলামোটরের ফ্লাইওভারের দিকে উঠতে গিয়ে চালক গাড়ির গতি একটু কমালেন। সঙ্গে সঙ্গে বোরকা পরা সেই মহিলা সামনের দিকে ঝুঁকে বললেন, ‘আপা…’
এ টাকায় মাসে ৬টা বুফে ডিনার আর বউয়ের জন্য আড়ংয়ের কয়টা জামা কিনতে পারতাম। দরিদ্রের পেটের দিকে একবার দয়া দৃষ্টি দিয়ে করটা যদি মওকুফ করতেন!
যাকে ভালোবাসি, তার সুখটাই তো আসল—সে আমার সঙ্গে সুখী থাকলে ভালো কথা; কিন্তু আপনার সঙ্গে সুখী হলে আমি কী করব?
ভ্যাপসা গরমে লিফটের ভেতরে তাদের অবস্থা একেবারে কাহিল। আশিক সাহেবের নাকের ডগা দিয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়তে শুরু করল। ঠিক তখনই তাঁর পকেটে রাখা লেটেস্ট মডেলের ফোনটা টুং করে বেজে উঠল। স্ক্রিনে ভেসে উঠল ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ‘তার ছবিতে নতুন ১০টা লাভ রিঅ্যাক্ট পড়েছে।’
বাঙালি হিসেবে নিজের নাম্বার ওয়ান যাচাই করতে রস+আলোর মজার পরীক্ষায় অংশ নিন।
পরিচিত ও প্রচলিত শব্দগুলোর অর্থ যদি অভিধানে লেখা অর্থের বদলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী হতো, তাহলে কেমন হতো? চলুন, জেনে নিই এ রকম কয়েকটি শব্দ।
বড় ভাইয়ের কথা শুনে আমি আর ছোট ভাই বেশ অপমানিত বোধ করলাম। সামান্য একটা নেংটি ইঁদুরের জন্য এভাবে কথা শুনতে হলো।
ঋণখেলাপিদের খুশি করতে এত দিন অনেক ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো। কিন্তু তাদের পাষাণ মন এসবে গলছে না। ছাড়ের দিন শেষ, এবার উপহার দিয়ে তাদের মন জয় করা যায় কি না, সেটাই দেখার পালা। ঋণখেলাপিদের কী কী উপহার দেওয়া যায়, তা নিয়েই ভেবেছে রস+আলো।
কিন্তু এখন হইছে কি, একটা চাবুক রাখব। সাক্ষাৎকার দিতে এলে এই চাবুক নিয়ে আসব। প্রশ্ন করার আগে সাংবাদিকেরাও একটু ভেবেচিন্তে প্রশ্ন করবে!
বাংলাদেশে জীবনযাপন করাটাই একটা চ্যালেঞ্জ। যেকোনো মূহুর্তে যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। এই অনিশ্চয়তাই আমাদের জীবনকে আরও বেশি ভালোবাসতে শেখায়।
কীভাবে বুঝবেন, দেশে বিদ্যুতের সংকট নেই
মনে হলো, গ্যাস আসার খবর শুনে তাঁর পেট আর এক মিনিটও অপেক্ষা করতে রাজি নয়। আমি বললাম, ভাই, আমি তো আধা ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি।