‘তাজকিরাত আল-আউলিয়া’ থেকে দাউদ-ই-তায়ির জীবনী
‘আমার অন্তরে এমন কিছু একটা ঘটেছে, যা আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না, না কোনো বই কিংবা আইনে এর কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছি।’
‘আমার অন্তরে এমন কিছু একটা ঘটেছে, যা আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না, না কোনো বই কিংবা আইনে এর কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছি।’
সাঁওতাল, ওঁরাও, কড়া, ভুনজার—নানা জাতির ভাষা ও জাতিভেদে ভিন্ন হলেও প্রায় সবাই কথা বলে সাদরী ভাষায়।
প্রথম শহীদ মিনারের স্থাপত্য ছিল সহজ-সরল; কিন্তু স্থাপনাটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বা বক্তব্যটিও ছিল হৃদয়গ্রাহী।
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ১৬টি ছবি তুলেছিলেন রফিকুল। ভাষার দাবির জন্য ছাত্রদের ওপর গুলি হতে পারে—এটা তাঁর কল্পনাতেও ছিল না।
এই রোজা রাখা হয়েছিল ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্রমাগত অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে।
১ ফেব্রুয়ারি ওয়ারীতে গিয়ে শাহরিয়ারের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করি। জানতে চাই, শহীদ রফিকের ছবির মূল নেগেটিভ কোথায়? শাহরিয়ার শোনালেন এক দুঃখজনক ঘটনা।
খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে পারস্য সম্রাট খসরু নওশেরওয়া সংস্কৃত পঞ্চতন্ত্রের একটি পাহলভি অনুবাদ করিয়েছিলেন কালিলা ওয়া দিমনা নামে।
ওয়াইল্ড তাঁর চোখে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকদের একজন হওয়ার অযোগ্য। জীবনানন্দ দাশের মতে, অস্কার ওয়াইল্ড ‘বিচিত্র সাহিত্যিক ধুরন্ধর’, যার শক্তি ছিল কিন্তু প্রতিভা ছিল না।
যাঁরা সেই ষাটের দশকে আমাদের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন, সেই সব ব্যক্তিত্বের মধ্যে শহীদুল্লা কায়সার হলেন অন্যতম।
রানির আগমনের নির্ধারিত সময় বিকেল চারটা। নির্ধারিত সময়ের আগেই তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে গিয়ে পৌঁছালেন সাইদা খানম। বিমানবন্দরে শতাধিক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও প্রেস ফটোগ্রাফার!
আবদুল গণি রোডে সারিবদ্ধ পুলিশ। তাদের হাতে থ্রি নট থ্রি রাইফেল। পরিবেশটা বেশ থমথমে। ঝটপট কয়েকটি ছবি তুললেন তকীয়ূল্লাহ।
অন্তত এই চিঠির তারিখ থেকে পরবর্তী প্রায় তিন বছর কিংবা তাঁর খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের পাঁচ বছর পর অন্তত ১৮৪৭ সালের শেষ পর্যন্ত ‘মাইকেল’ তাঁর নামের অংশ ছিল না।
আটচল্লিশের সেই উত্তাল দিনের নানা মুহূর্ত কোডাক ফোল্ডিং ক্যামেরায় ধারণ করেছিলেন শেখ মোহাম্মদ ইয়াকুব।
কয়েক বছর পরে লাতিন আমেরিকায় এসে আমি আবার পাঠের জগতে ফিরি। এখানে এসে আমি সাহিত্যের নতুন ভূগোল আবিষ্কার করি।
ট্যাংকগুলো লোকটির কাছে এসে থামল। প্রথম ট্যাংকটা সামান্য বাঁ দিকে ঘুরল, যেন তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে। লোকটা এক পা এগিয়ে গিয়ে আবার সামনে দাঁড়ালেন।
জীবনানন্দের সমসাময়িক প্রধান দুই কবি, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ও বিষ্ণু দে–কেও এই সময় রূপান্তরিত করেছিল; বদলে দিয়েছিল কথাশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
আপনি বালি দিয়ে তায়াম্মুম করছেন কেন?’ ‘হতে পারে সেখানে পৌঁছানোর আগেই আমি আর বেঁচে না–ও থাকতে পারি’, জবাবে তিনি বললেন।
আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’
তিনি মরদেহের পাশে অবিরাম কোরআন পাঠ করছিলেন। তখনো আমাদের ভয় ছিল, তাঁর মরদেহ সামরিক জান্তা উঠিয়ে নিয়ে যাবে।
একই পরিস্থিতিতে ও পরিবেশে দীর্ঘদিন একই ধরনের কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে এক ধরনের অভ্যাস, রীতি, দৃষ্টিভঙ্গি, ছন্দ, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ গঠিত হয়।
দ্য লিটল প্রিন্স সাঁ-জুপেরিকে অমরত্ব দিয়েছে। আলোড়িত করেছে, করে যাচ্ছে অগণিত পাঠকের মন।
ডরোথিয়া ল্যাং তাঁর আরামদায়ক স্টুডিও ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন মহামন্দার নির্মম বাস্তবতা ক্যামেরায় ধারণ করতে।
কবরস্থানের কুয়াশা কতট ঘন? দেখা না পাই তোমায় পিতা।
পঞ্চাশের দশক আমানুল হকের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে তাঁর হাত ধরে এ দেশে সৃজনশীল আলোকচিত্রের সূচনাপর্বের ভিত রচিত হয়।