পাগল হাসানের বুকেতে দুঃখ সীমাহীন
পাগল হাসানের জীবদ্দশায় ‘আন্ধাইরপুরীর মানুষ আমি’ গানটা যতটা প্রচার পেয়েছিল, মৃত্যুর পর তা আরও উজ্জ্বল ও বেগবান হয়। বাউলশিল্পীদের কণ্ঠে তো বটেই, ওয়াজ মাহফিলেও ইসলামি বক্তাদের কণ্ঠে এ গান মানুষের হৃদয়ে অনুরণন তোলে।
পাগল হাসানের জীবদ্দশায় ‘আন্ধাইরপুরীর মানুষ আমি’ গানটা যতটা প্রচার পেয়েছিল, মৃত্যুর পর তা আরও উজ্জ্বল ও বেগবান হয়। বাউলশিল্পীদের কণ্ঠে তো বটেই, ওয়াজ মাহফিলেও ইসলামি বক্তাদের কণ্ঠে এ গান মানুষের হৃদয়ে অনুরণন তোলে।
১২ জুন। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো যুদ্ধ শুরুর দিন নয়, কোনো সাম্রাজ্যের উত্থান বা পতনের দিনও নয়। তবু দিনটি মানবসভ্যতার স্মৃতিতে বিশেষভাবে খোদাই হয়ে আছে। ১৯২৯ সালের এই দিনে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে জন্ম নিয়েছিল অ্যান ফ্রাঙ্ক, যে পরে হয়ে ওঠে যুদ্ধের বিরুদ্ধে মানবতার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।
সুইডেনের অন্যতম নারী লেখক কারিন বোয়ে ছিলেন একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও রাজনৈতিক কর্মী। সুইডেনের ‘পথপ্রদর্শক কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও তিনি আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ১৯৪০ সালে প্রকাশিত তাঁর ডিস্টোপিয়ান বিজ্ঞানভিত্তিক উপন্যাস কালোকেইন-এর জন্য।
তাহলে প্রযুক্তির দাপটে হার্ডব্যাক হারিয়ে যাবে! সত্যি কি তা–ই? সম্ভবত না। যেভাবে সিনেমা আসার পর নাটক বন্ধ হয়নি, টেলিভিশন আসার পর রেডিও হারিয়ে যায়নি, ঠিক তেমনি ই-বুক আসার পরও হার্ডব্যাক বই থাকবে। হয়তো আগের মতো সবার হাতে থাকবে না। হয়তো প্রতিদিনের পড়ার জন্য মানুষ মোবাইল, ট্যাবলেট বা পেপারব্যাক বেছে নেবে। কিন্তু প্রিয় বইয়ের বিশেষ সংস্করণ, উপহার, সংগ্রহ কিংবা পারিবারিক লাইব্রেরির জন্য হার্ডব্যাকের আবেদন সহজে ফুরিয়ে যাবে না।
মধ্যযুগের এই ধর্মতাত্ত্বিক ও মরমি সাধক তাঁর আবেগঘন ও কাব্যিক আধ্যাত্মিক রচনার জন্য সুপরিচিত। সুসোর দর্শন ঈশ্বরপ্রেম ও কৃচ্ছ্রসাধনের এক গভীর মিশ্রণ।
ভিক্টোরিয়ান নারীদের কাছে চুল কখনোই কেবল চুল ছিল না; এটি ছিল তার মুকুটের গৌরব হিসেবে। এমন একটি ধারণা, যা মূলত ধর্মীয় সূত্র থেকে আসে।
যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে চুপি চুপি একটি বেফাঁস কথা বলি। ছোটবেলায় কোরবানির ঈদকে আমার রোজার ঈদের মতো মনে হতো না। কারণ ত্রিবিধ।
প্রতি ঈদের অন্তত মাসখানেক আগে থেকেই বারবার একই প্রশ্ন শুনতে হতো, ‘বাড়ি আইবি কবে?
ফ্রান্সের নাৎসি দখল থেকে মুক্তির উৎসবে লুকিয়ে ছিল ‘বন্য শুদ্ধি’—জনতার হাতে সহযোগী নারীদের প্রকাশ্য অপমান। রবার্ট কাপার ‘দ্য শেভড ওম্যান ইন শার্ত্র’ ছবি এই উন্মত্ত প্রতিশোধের ভয়াবহতা ধরে রেখেছে। এটি যুদ্ধোত্তর মানসিকতার গভীর দলিল।
ভ্লাদিমির সলোভিয়ভ (১৬ জানুয়ারি ১৮৫৩—১৩ আগস্ট ১৯০০) ছিলেন রাশিয়ার একজন অসাধারণ দার্শনিক, ধর্মতাত্ত্বিক, কবি ও মরমি চিন্তাবিদ। উনিশ শতকের শেষভাগে রুশ বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে তিনি দর্শন, ধর্ম, কবিতা ও মিস্টিসিজমকে একত্র করে একধরনের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। অনেকেই তাঁকে আধুনিক রুশ ধর্মদর্শনের প্রধান পথিকৃৎ মনে করেন।
এ বছর লোকসাহিত্য গবেষণা, সাহিত্যসৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়েছে। পুরস্কারটি ঘোষণার পর আনন্দে আর উত্তেজনায় সারা রাত জেগে থেকে আনমনে বাবার সঙ্গে কথা বলেছি।
তাঁর কাছে বোধিসত্ত্ব হলেন এমন একজন আদর্শ ব্যক্তি, যিনি প্রজ্ঞা বা জ্ঞান এবং করুণার পূর্ণাঙ্গ সমন্বয় সাধন করেছেন।
বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক পাকিস্তানি কূটনীতির তিনি ভেতরের একজন চরিত্র ও দর্শক। এখানে আছে তার বই মেমোয়ার্স অব এ বাইস্ট্যান্ডার/এ লাইফ ইন ডিপ্লোম্যাসি থেকে চুম্বক অংশ।
স্বাধীনতার পর এই রেলওয়ে ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে’ নামে আত্মপ্রকাশ করে এবং আগের অবকাঠামো নিয়েই নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে।
ছোট এই মেয়েটির মৎস্য শিকারের প্রতি আগ্রহ আছে বুঝতে পেরে আর্নেস্ট তাঁকে তাঁর মাছ ধরতে যাওয়ার সঙ্গী হিসেবে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক সন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছিল ঈদ ফ্যাশন ও ঈদের বাজার সংখ্যা।
মানুষের জাগতিক দুঃখের রূপকার ছিলেন কবি জসীমউদ্দীন। গ্রামবাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয় সমাজের জীবনপ্রবাহ তিনি উপস্থাপন করেছেন সমান দরদ দিয়ে।
আমাদের আবার প্রশ্ন করতে শিখতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রামাণিক তথ্যের বাইরে যা কিছু আবেগ দিয়ে গেলানো হচ্ছে, তা আসলে একধরনের আধিপত্য।
উনি তখন ২০০ বছরের পুরোনো সেই বিশাল কারাগারের একমাত্র রাজনৈতিক বন্দী।
শহীদ সাবের একাত্তরে চলে গেছেন। যদি না যেতেন, যদি থাকতেন, তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে তাহলে কি তার অবস্থা ও অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসত?
আলোকচিত্রটি প্রথম দেখায় অনুভূতি জাগায় গাদাগাদি করা মানুষের মাঝে দমবন্ধ করা ঘনত্ব ও উন্মত্ত এক গতির।
‘বনলতা সেন’ কবিতার অন্তর্জালিক সংস্করণের তিনটিতে অনুবাদকদের সবাই কথককে মলয় উপদ্বীপের দূরবর্তী জলসীমায় সঠিকভাবেই স্থাপন করেছেন।
বাঙালির ক্ষোভ ক্রমেই উত্তাল হচ্ছে। বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে এই মার্চ মাস। উন্মত্ত শব্দের তাণ্ডবে বসে সেই বন্দি উনিশ শ একাত্তরের পঁচিশে মার্চের ভয়াবহ রাতে খুঁজলাম সেই উদ্বেল মার্চ মাসকে।
শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্করের সহস্রতম জন্মতিথি উপলক্ষে ১ মার্চ [১৯৮৩] সকালে ঢাকায় একটি শান্তি মিছিল বের হয়।