যোগেন মণ্ডলের বহুজনবাদী রাজনীতির পরিণতি ও প্রাসঙ্গিকতা
বাংলার নিম্নবর্গের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে যোগেন মণ্ডল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি, যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানে চূড়ান্ত বিচারে হেরেছিলেন গান্ধী ও জিন্নাহ।
বাংলার নিম্নবর্গের স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে যোগেন মণ্ডল শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি, যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানে চূড়ান্ত বিচারে হেরেছিলেন গান্ধী ও জিন্নাহ।
চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অস্ফুট স্বরে বললেন, ‘আমরা কবিরা স্বপ্ন দেখি যে ইহুদিরা জাতীয়তাবাদের পশ্চিমা ধারণা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারলে ফিলিস্তিনকে তারা গড়তে পারবে।’
মাইকেল তাঁর মহাকাব্যে জীবন থেকে চরিত্র না নিয়ে বরং চরিত্রদের জীবন দান করে বিশ্বস্তভাবে অটল থাকেন হিন্দু পুরাণের জগতে।
‘বোর্হেসের অপ্রকাশিত বা অগ্রন্থিত’ শীর্ষক গ্রন্থগুলোয় যেসব রচনা আছে তার কোনোটিতেই রবীন্দ্রনাথ বিষয়ক এই বক্তৃতাটি নেই।
ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে ছাত্র ইউনিয়নের একটি ছোট্ট মিছিল পল্টন থেকে শহীদ মিনারের দিকে যাচ্ছিল। তখন কয়েকটি পথশিশু মিছিলের মধ্যে ঢুকে পড়ে।
লেনিন কেন দার্শনিকদের তালিকায় অনুপস্থিত, যদিও দর্শনচর্চা ও রাষ্ট্রচিন্তায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য?
‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ও শিখা গোষ্ঠীর নায়কদের মধ্যে আপনিই একমাত্র আমার স্বচক্ষে দেখা মানুষ। দেখেছি দেশভাগের পরে, ১৯৫০-এর দশকে।
সৃজনে আনন্দ, সৃজনে আয়, সৃজনই সবকিছু। অন্য কোনো পেশা নেই। এ ধরনের মানুষের দীর্ঘ আয়ুর প্রয়োজন। অনেক অনেক কাল বেঁচে থাকুন, ভাই ধ্রুব এষ।
‘কামাইতাচি’ একধরনের আত্মগত দলিল—যেখানে লোককথা, পারফরম্যান্স আর্ট এবং ব্যক্তিগত আত্মশুদ্ধির অভিজ্ঞতা একাকার হয়ে গেছে।
নাজিম হিকমতের একেকটা কবিতার লাইন আমাকে একেকটা আলাদা জীবন দান করেছে। আমি কী করে যে তাঁর সামনে যাই! তাঁর প্রিয় কে জানি না, আমার প্রিয়তম তিনি।
প্রাচ্যীয় বর্ণনাত্মক শিল্পে, বিশেষত বাংলা লোকনাট্যে, গল্প বলার ভঙ্গিটি বহুলাংশে অনুলম্ব, যেখানে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যে এক মসৃণ যাতায়াত দেখা যায়।
ম্যাট্রিক পাসের পর পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজে ভর্তি হলেন ঠিকই, কিন্তু ছবি তোলার নেশায় পড়াশোনার প্রতি তাঁর আর মন বসে না। এ সময় তাঁর ওপর ভর করে বেহালা বাজানোর নেশা।
স্বাধীনতাসংগ্রামের এই মহানায়কের মুক্তির সংবাদে রাইফেল উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছেন এক বাঙালি তরুণী। পাশে দাঁড়ানো আরেক তরুণীর হাতে ফ্রেমে বাঁধানো বঙ্গবন্ধুর একটি সাদাকালো প্রতিকৃতি।
বেলা তার নিজেই বলেছিলেন, ‘৩০ বছর ধরে আমি একই বিষয়ে ছবি বানিয়ে চলেছি। মানুষের জীবনকে নিয়ে শোষক, মহাকালের প্রহসন ও ষড়যন্ত্র নিয়ে।’
ড্যাডির বহুল দেখা সেলফ পোর্ট্রেটটি ১৯৫১ সালে তোলা। ছবিটি তিনি তাঁর ৭৩ নম্বর ইন্দিরা রোডের বাড়ির শয়নকক্ষে তোলেন। মিডিয়াম ফরম্যাট টুইন লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরা ড্যাডির গলায় ঝোলানো।
নামছি আমার স্মৃতির উঠোনে। আমার পুরোনো ডেরা ভেঙে গেছে সেই কবে, জাগতিক হিসেব-নিকেশে আমি বাস্তুচ্যুত। কিন্তু তাতে কী আসে–যায়? পা ফেলতেই হৃদপুরের পথঘাট আমাকে ফিসফিস করে বলল, ‘তুমি ফিরেছ!’
বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে পরমাণু অস্ত্রের পুনরুজ্জীবিতের হুমকির সম্পর্ক ১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর আর কখনো এত গভীর ও জটিল হয়ে ওঠেনি।