চিড়িয়াখানার লেকে ২৫–৩০ কেজি ওজনের মাছও আছে, কীভাবে ধরবেন
মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার বড়শি দিয়ে মাছ ধরার আয়োজন করে।
মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার বড়শি দিয়ে মাছ ধরার আয়োজন করে।
সালসার সব উপকরণ বাকি অর্ধেক ড্রেসিং দিয়ে মেখে নিন। গ্রিল করা মাছের পাশে সালসা রেখে একসঙ্গে পরিবেশন করুন।
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে এক জেলের বড়শিতে ধরা পড়েছে ২৪ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। পরে মাছটি কেটে বিক্রি করা হয়েছে ৩১ হাজার ২০০ টাকায়।
সানজিদার স্বামী আরাকান আর্মির হাতে বন্দী হওয়ার ফলে সন্তানকে বাবাহীন দেখছেন, যা তাঁর দুঃখ বাড়িয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাছ ধরার প্রতিযোগিতায় এক কাতলা মাছ ধরে মজিবুর রহমান আড়াই লাখ টাকা পুরস্কার জিতেছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ৩৬ জন শিকারি অংশ নিয়ে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এটি সরাইল মৎস্য চাষ প্রকল্পের বার্ষিক আয়োজন।
কল্যাণপুরের সাজেদুল ইসলামের সপ্তাহের বাজারে খরচ বেড়েছে ২১০ টাকা, মাসিক ৮৫০ টাকা। টিসিবির তথ্যে গত মাসে আটা, তেল, ডাল, পেঁয়াজ, মুরগি, ডিমের দাম বেড়েছে। বিবিএস-এর হিসাবে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯.০৪ শতাংশ।
দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে অবৈধ বিশাল চাঁইয়ে লাখ লাখ পাঙাশের পোনা নিধন হচ্ছে, যা দেশীয় মাছের বংশবৃদ্ধিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সংঘবদ্ধ চক্র এই নিষিদ্ধ শিকার চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও মৎস্য বিভাগ অভিযান চালায়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এটি পাঙাশের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
জামালপুরের ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমে মাছহীন হয়ে গেছে, জীবিকায় সংকটে পড়েছেন নদনির্ভর মানুষ। দুদু মিয়ার মতো অনেকে ২০–৩০ বার জাল ফেলেও দু-একটা ছোট মাছ পান না। বালু উত্তোলন ও খনন সত্ত্বেও নদের অবস্থা উন্নয়ন ঘটেনি।
কাপ্তাই হ্রদ একসময় ছিল বড় মাছের অভয়াশ্রম। রুই, কাতলা, মৃগেলের দাপটে এই হ্রদ শুধু উৎপাদনের দিক থেকে নয়, জীববৈচিত্র্যের দিক থেকেও ছিল বেশ সমৃদ্ধ।
চাঁদপুরে দুই মাস নিষেধাজ্ঞার পর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে খালি হাতে ফিরছেন অধিকাংশ জেলে। দেশের অন্যতম বৃহত্তম মৎস্য অবতরণকেন্দ্র চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাট ফাঁকা দেখা গেছে।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে ধরা পড়া একটি বড় পাঙাশ মাছ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ধরা দুটি বড় কাতলা মাছ প্রায় ৮৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
গ্রীষ্মের তাপে পুড়ছে কক্সবাজার। প্রখর রোদ আর খরতাপে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও এ জেলার দুটি শিল্পের জন্য এমন আবহাওয়া অনুকূল। এর একটি লবণশিল্প, অন্যটি শুঁটকি। লবণের উৎপাদন অব্যাহত থাকলেও মাছের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে জেলার শুঁটকিপল্লির বেশির ভাগ মহাল।
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের তীরঘেঁষা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে সকাল থেকেই ব্যস্ততা। কোথাও শ্রমিকেরা বরফ ভাঙছেন, কোথাও ঘাটে ভিড় করা নৌকা থেকে মাছ নামানো হচ্ছে। ঝুড়ি ভরে মাছ একের পর এক ট্রাকে তোলা হচ্ছে। তবে সেই ঝুড়িতে চোখে পড়ে না হ্রদের একসময়কার পরিচিত কার্পজাতীয় মাছ রুই, কাতলা কিংবা মৃগেল। সাম্প্রতিক সময়ে হ্রদ ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
সোমবার সকালে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের একটি বিশাল কাতলা মাছ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
দেশের অন্যতম মাছ উৎপাদনকারী জেলা ময়মনসিংহ থেকে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে যায় বিপুল পরিমাণ মাছ। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের কারণে আবারও বাড়ছে মাছ পরিবহনের ট্রাকভাড়া।
রাজশাহীর বাগমারার এক পলাতক যুবলীগের নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় দুটি বড় কাতলা মাছ বিক্রি হয়েছে ৯৫ হাজার ৪১৫ টাকায়। শুক্রবার ভোরে মাছ দুটি পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ে।
মাছটি নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা কিনে নেন।
ডব্লিউসিএস বলছে, এই মাছের পাঁচটি প্রজাতি বিশ্বে টিকে আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে পাওয়া যায় তিন প্রজাতি। তিন প্রজাতির সবগুলোই হুমকির মুখে।
বঙ্গোপসাগরে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। জ্বালানি সংকটে সাগরে মাছ ধরা কমে যাওয়ায় লাখো জেলে-ব্যবসায়ী দুশ্চিন্তায়। সরকার চাল সহায়তা দেবে, তবে জেলেরা বলছেন এটি যথেষ্ট নয়।
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের পোনা রক্ষায় মার্চ-এপ্রিলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হলেও পয়লা বৈশাখ ঘিরে জেলেরা উৎসবে মগ্ন। সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, তারা প্রকাশ্যে ইলিশ ধরে পাড়ে বিক্রি করছেন। মৎস্য কর্মকর্তা জানান, অভিযান চলছে।
বাজারে সোনালি মুরগির কেজি ৩৮০–৪২০ টাকা এবং রুই মাছের দাম ৩৫০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়া, পাঙাশ, চিংড়ি মাছ, সয়াবিন তেল ও সবজির দামও বেড়েছে। গত বছরের তুলনায় এই পণ্যগুলোর দাম বেশি।
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে মাছ চুরির অভিযোগে আবদুস শুকুর মৃধাকে (৫০) বেধড়ক মারধর করা হয়েছে এবং চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তাঁর হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানের হাড় ভেঙে গেছে। স্বজনেরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেছেন।