রবিউল আউয়াল মাসের ৪ মর্যাদা
যে সময় তিনি পৃথিবীতে প্রথম কদমটি রেখেছিলেন, সেটি ছিল রবিউল আউয়াল মাস এবং চল্লিশ বছর বয়সে এই মাসেই তাঁকে সোপর্দ করা হয়েছিল জগৎশুদ্ধির কাজ।
যে সময় তিনি পৃথিবীতে প্রথম কদমটি রেখেছিলেন, সেটি ছিল রবিউল আউয়াল মাস এবং চল্লিশ বছর বয়সে এই মাসেই তাঁকে সোপর্দ করা হয়েছিল জগৎশুদ্ধির কাজ।
মুহাম্মদ (সা.) ও আহমদসহ নবীজির নাম ও গুণবাচক উপাধির কোরআন-হাদিসে উল্লেখ এবং ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।
শত ব্যস্ততার মাঝেও নবীজি স্ত্রীদের সঙ্গে আন্তরিক, প্রেমময় ও হাসিখুশি সময় কাটাতেন। তাঁর দাম্পত্য জীবন ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার অনন্য উপমা।
রবিউল আউয়ালের সঠিক জন্মতারিখ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, গবেষকরা সোমবারে জন্মের বিষয়ে একমত।
আধুনিক যুগে অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়মিত রাত জাগার প্রবণতা মানুষের ভোরের ইবাদত বিনষ্ট করে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট করে, যা নবীজির শিক্ষার পরিপন্থী।
প্রথমেই কোরআন পুরো গ্রন্থের অনুরূপ কিছু রচনার চ্যালেঞ্জ দেয়। পরে সেই চ্যালেঞ্জকে আরও সহজ করে ১০টি সুরা রচনার আহ্বান জানানো হয়। পরে মাত্র একটি।
তিনি উটের পিঠ থেকে নামার উদ্যোগ করতেই আলী ও আবু লুবাবার বুক কেঁপে উঠল। মরুভূমির তপ্ত বালুতে নবীজি হাঁটবেন, আর তাঁরা উটের পিঠে আরাম করবে?
বয়কট চলাকালীন রাতের আঁধারে উটের পিঠে খাদ্য চাপিয়ে উপত্যকার মুখে ছেড়ে দিতেন, যাতে অবরুদ্ধ মানুষগুলো খাবার পায়। কাবার প্রাঙ্গণে কোরাইশ নেতাদের প্রতিবাদ জানান।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
খলিফা ওমর (রা.) তাকে সামনে ডেকে আনলেন। পারস্য সম্রাটের সেই ভারী স্বর্ণের জামা, মাথায় রত্নখচিত মুকুট এবং হাতে কিসরার ঐতিহাসিক দুটি স্বর্ণবালা সুরাকাকে পরিয়ে দেওয়া হলো।
প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত।
ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, হিজরি বছরকে আমরা মহররম দিয়ে শুরু করলেও হিজরতের যাত্রা শুরু সফরের শেষভাগে।
ইসলামের অন্যতম বিধান অজু—নামাজের জন্য প্রতিদিন অজু করতে হয়। রাসুল (সা.)-এর অজুর পদ্ধতি, পানি ব্যবহারের পরিমাণ, ধোয়া- মাসাহের ধরন এবং অজুর দোয়া—হাদিসভিত্তিক এসব বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে।
ওমরের মতো একজন দূরদর্শী, নিষ্ঠাবান সাহাবিও যখন তাৎক্ষণিক প্রজ্ঞা ধরতে হিমশিম খেয়েছিলেন, তখন উম্মে সালামার পরামর্শের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
সিরাতচর্চা কোনো মৃত ইতিহাস নয়, আমরা যদি একে তথ্যের খতিয়ান আর যুদ্ধের ইতিহাসের ফ্রেমে বন্দি রাখি, তা আবেগ জোগাবে ঠিকই, কিন্তু চরিত্র বদলাতে পারবে না।
মহানবী (সা.)–এর আগমন-পূর্ব আরব সমাজে ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও বিশৃঙ্খলার জয়জয়কার। তিনি সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ৪টি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
জায়েদ নামের এক ইয়াহুদি পণ্ডিত ছিলেন। প্রচুর সম্পদ ছিল তাঁর। একপর্যায়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নবীজির সঙ্গে অনেক যুদ্ধেও অংশ নেন।
সুন্দর পোশাক, কিছুটা আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রত্যাশা করা কোনো অপরাধ নয়। নবীজির স্ত্রীরাও কিছু অতিরিক্ত ভরণপোষণের আবেদন করতেন।
একজন মুসলমান ব্যবসা, কৃষি, শিল্প কিংবা যেকোনো পেশা নিতে পারবে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই প্রতারণা, সুদ, ঘুষ, বা হারাম পন্থায় সম্পদ অর্জন করতে পারবে না।
বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।
চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত যখন নিলেন, তাঁকে জানানো হলো, সমকালীন রাজন্যবর্গ সিলমোহর ছাড়া চিঠি গ্রহণ করেন না। ফলে তিনি রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরি করান।
আরবরা ছিল জন্মগতভাবে ভাষা ও সাহিত্যের অনুরাগী। তারা দাবি করত, বিশুদ্ধ ও সুন্দর করে কথা বলা শুধু তাদেরই অধিকার। অবশিষ্ট বিশ্ব তাদের কাছে ছিল ‘আজম’ বা বোবা।
মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।
কোরআন ও হাদিসে বারবার তাকওয়া অর্জনের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করার জন্য ১০ উপায় বিশেষভাবে কার্যকর।