তওবার অনন্য পাঁচ সুফল
মানুষের ভুলের পথ যতই দীর্ঘ হোক না কেন, তার জন্য ফিরে আসার দরজা সব সময় খোলা। আর সেই ফিরে আসার নামই তওবা।
মানুষের ভুলের পথ যতই দীর্ঘ হোক না কেন, তার জন্য ফিরে আসার দরজা সব সময় খোলা। আর সেই ফিরে আসার নামই তওবা।
এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পঙ্কিলতার মধ্যেও যাঁরা নিজেদের চরিত্র ও নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন, তাঁদের জন্য রয়েছে পরকালের পরম সুসংবাদ।
প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, এখানকার বিশাল পাহাড় কেটে তৈরি করা চোখধাঁধানো কারুকার্য ও স্থাপত্যশৈলী আধুনিক যুগের মানুষকেও রীতিমতো অবাক করে দেয়।
নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
তিনি অজ্ঞতার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘তারা যখন সমাধান জানত না, তখন জিজ্ঞেস করে কেন জেনে নিল না? কারণ, অজ্ঞতার প্রতিষেধক হলো প্রশ্ন করা।’
শারীরিক শ্রম ও কষ্টসাধ্য অনেক ইবাদত থেকে ইসলাম প্রতিবন্ধীদের হয় সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে অথবা সহজ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। জুমা ও জামাতের বাধ্যবাধকতা থেকে প্রতিবন্ধীরা মুক্ত।
নবীজির শিক্ষাদানের একটি প্রধান মাধ্যম ছিল সরাসরি নিজে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া। তিনি যখন কোনো কাজের আদেশ দিতেন, তা প্রথমে নিজে করে দেখাতেন।
সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এই আয়াতকে মহানবী (সা.) বলেছেন পবিত্র কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।
এই সংবাদে ওমরের মন ভরে গেল আনন্দে। তাঁর মেয়ে শুধু পুনর্বিবাহের সুযোগই পেলেন না, বরং তিনি হয়ে গেলেন মুমিনদের জননী, ইসলামের যাকে বলে উম্মুল মুমিনিন।
ইসলামি দাওয়াতের ইতিহাসে হিজরতপূর্ব মদিনা ছিল একটি উর্বর ভূমি, যেখানে ইমানের বীজ বপন করা হয়েছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে।
মুহাজির, আনসার এবং বনু হাশিম (নবীবংশের) সাহাবিদের তিনটি পৃথক দল ছিল মজলিশে। কথা প্রসঙ্গে বিতর্ক সৃষ্টি হলো, আমাদের মধ্যে কারা নবীজির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও প্রিয়পাত্র
সাফল্যের সব জাগতিক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার পর মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন জাগে—‘এরপর কী?’ শুধু বিত্ত-বৈভব বা সামাজিক প্রতিপত্তি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না।
মক্কার তপ্ত বালু থেকে তায়েফের রক্তাক্ত প্রান্তর—সবখানেই তিনি ধৈর্য ও সংকল্পের মাধ্যমে জয়ী হয়েছেন। সফল হওয়ার জন্য তাঁর জীবনের ১০টি জীবনমুখী শিক্ষা তুলে ধরা হলো:
দেড় হাজার বছর আগে বিদায় হজে মানবাধিকারের যে সনদ মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, তা আধুনিক সময়ের যে-কোনো মতাবাদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর।
জিলহজের ৪ তারিখ মক্কায় প্রবেশ করে নবীজি (সা.) তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করেন। ৮ জিলহজ মিনায় এবং ৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে তপ্ত রোদের নিচে দাঁড়ান।
যে মানুষটি তার পরিবারের কাছে সমাদৃত নয়, জগতের চোখে সে সফল হলেও দিনশেষে সে ব্যর্থ। মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন কীভাবে কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও পরিবারকে সময় দিতে হয়।
মহানবী (সা.) তাঁর জীবনে শুধু আধ্যাত্মিক সাধনাই করেননি, বরং শরীরচর্চা, খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এক অনন্য আদর্শ স্থাপন করেছেন।
একবার একটি ছাগল এসে তাঁর প্রস্তুত করা খাবারের কিছু অংশ খেয়ে ফেললে তিনি স্ত্রীকে ধৈর্য ধরতে বলেন এবং প্রতিবেশীর প্রতি কোনো অভিযোগ না করতে নির্দেশ দেন।
নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন সততা ও বিশ্বস্ততাই হলো ব্যবসার আসল মূলধন। একজন সফল উদ্যোক্তা বা কর্মজীবী হওয়ার জন্য তাঁর জীবন থেকে ১০টি বৈপ্লবিক সূত্র তুলে ধরা হলো।
আমরা কীভাবে কথা বলি, আমাদের অঙ্গভঙ্গি কেমন এবং মানুষের সঙ্গে আমাদের আচরণ কতটা মার্জিত—এসবের ওপরই নির্ভর করে সামাজিক ও পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা।
নবম হিজরির সিদ্দিকি হজ ছিল দশম হিজরির বিদায় হজের এক অপরিহার্য প্রস্তুতি। এই হজের মাধ্যমে কাবা শরিফকে শিরক ও জাহেলি আচার থেকে মুক্ত করা হয় এবং হজের বিধানাবলি ঘোষণা করা হয়।
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.)-এর জীবন থেকে দাম্পত্য জীবনে ত্যাগ ও আনুগত্যের শিক্ষা। নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর প্রায় নয় বছরের সম্পর্কে ছবি ও খাবার ভাগাভাগির ঘটনা দুটি চমৎকার দৃষ্টান্ত। এগুলো পারিবারিক শান্তির ভিত্তি গঠনে সাহায্য করে।
নেতৃত্বের প্রকৃত সংজ্ঞায় মহানবী (সা.)-এর চেয়ে সফল কেউ নেই। তাঁর জীবন থেকে সফল নেতা বা সংগঠক হওয়ার ১০টি অনন্য সূত্র তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো অনুসরণ করে যেকোনো দলকে সাফল্যের শিখরে নেওয়া সম্ভব।