মঙ্গল গ্রহের নতুন রহস্য উন্মোচন
মঙ্গল গ্রহের ইতিহাস এবং সেখানে অতীতে পানির উপস্থিতির তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।
মঙ্গল গ্রহের ইতিহাস এবং সেখানে অতীতে পানির উপস্থিতির তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।
লাল মঙ্গলের গেইল ক্র্যাটারে নাসার কিউরিওসিটি রোভারের তোলা এক ছবিতে জেলিফিশের মতো দেখতে অবয়বের দাবি ঘিরে মহাকাশপ্রেমী ও ইউএফও গবেষকদের মধ্যে নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
মঙ্গল গ্রহের একটি পুরনো ছবি পুনরায় ভাইরাল হয়ে ভিনগ্রহে প্রাণ থাকার জল্পনা তৈরি করলেও বিজ্ঞানীরা একে দৃষ্টিবিভ্রম বা প্যারেডোলিয়া বলে অভিহিত করেছেন।
নাসার কিউরিওসিটি রোভারের তোলা এক অদ্ভুত পাথরের ছবি নিয়ে ইউএফও গবেষক ও বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
অদ্ভুত ভূতাত্ত্বিক কাঠামোটি দেখতে বিশাল মৌচাকের উপরিভাগের মতো।
৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে দেখা যাবে গ্রহের মেলা, উল্কাপাত এবং সামার ট্রায়াঙ্গলসহ বিভিন্ন মহাজাগতিক দৃশ্য।
পৃথিবী থেকে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরে থাকা তেমনই এক দানবীয় গ্রহের সন্ধান পেয়েছে নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট।
মঙ্গল গ্রহের কৃত্রিম পরিবেশে এক বছর বসবাস করে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং সিমুলেটেড সারফেস অপারেশনে অংশ নেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছে নাসা।
মঙ্গল গ্রহের জেজেরো ক্রেটারের পাথরের গায়ে অত্যন্ত জটিল কার্বন যৌগের সন্ধান পেয়েছে নাসার সবচেয়ে আধুনিক রোভার পারসিভিয়ারেন্স।
নাসার পরবর্তী মঙ্গল গ্রহ অভিযানের জন্য মহাকাশযান তৈরির দৌড়ে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সকে টেক্কা দিয়ে নাসার সঙ্গে চুক্তি করেছে এরিক শ্মিটের প্রতিষ্ঠান রিলেটিভিটি স্পেস।
মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা উল্কাপিণ্ডটি ভেঙে অপ্রত্যাশিতভাবে মূল্যবান খনিজ গার্নেটের কণা পাওয়া গেছে। মঙ্গল গ্রহের কোনো নমুনায় এবারই প্রথম এই খনিজের সন্ধান মিলল।
নাসা এমন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যেটি মহাকাশে থাকা একটি মাত্র টার্মিনাল বা যন্ত্র ব্যবহার করেই একাধিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের দ্য মার্স সোসাইটি আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’–এ তৃতীয় স্থান অর্জন করায় নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউআইইউ মার্স রোভার’ দলকে সংবর্ধনা দিয়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)।
জুন মাসে আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও ১৫ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে দেখা যাবে বছরের অন্যতম সেরা কিছু মহাজাগতিক দৃশ্য।
যুক্তরাষ্ট্রে রোভার প্রতিযোগিতায় বিশ্বে তৃতীয় ইউআইইউ, প্রথম এশীয় হিসেবে গড়ল ইতিহাস।
সম্প্রতি নাসার পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গল গ্রহে অদ্ভুত গঠনের পাথরের সন্ধান পেয়েছে, যা দেখতে একটির ওপর আরেকটি খাড়াভাবে স্তূপ করে রাখা পাথরের মতো।
মঙ্গল গ্রহের জন্য হালনাগাদ প্রযুক্তির আকারে ছোট শক্তিশালী হেলিকপ্টার তৈরি করছে নাসা।
নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মঙ্গলের খনিজ থেকে অ্যারোসল কণা তৈরি করে ১৫ বছরে গ্রহটির তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি বাড়ানো যাবে। এটি তরল পানি ও মানব বসতির প্রথম ধাপ। কৃত্রিম চৌম্বকীয় ঢাল বায়ুমণ্ডল রক্ষা করবে।
নাসার পারসিভিয়ারেন্স রোভার মঙ্গলের নেরেতভা ভ্যালিসে অভূতপূর্ব পরিমাণ নিকেল শনাক্ত করেছে। এই আবিষ্কার প্রাচীন মঙ্গলের রাসায়নিক ইতিহাস এবং অণুজীবের বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন আলোকপাত করবে। বিজ্ঞানীরা এতে অক্সিজেনবিহীন পরিবেশ এবং জৈব যৌগের সন্ধান পেয়েছেন।
নাসার ইনসাইট ল্যান্ডারের তথ্য থেকে জানা গেছে, মঙ্গল গ্রহের ঘূর্ণনগতি প্রতিবছর ৪ মিলিআর্কসেকেন্ড করে বাড়ছে, ফলে দিনের দৈর্ঘ্য কমছে। গ্রহের ম্যান্টেল থেকে হালকা উপাদানের প্রবাহ এর কারণ হতে পারে, যা মঙ্গলের অভ্যন্তরীণ সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়। এই তথ্য ভবিষ্যত মহাকাশ মিশনে গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গল গ্রহে পরমাণু শক্তিচালিত মহাকাশযান পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
৩১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে যেসব মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে, সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।
গবেষকদের দাবি, এই প্রযুক্তি সফল হলে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ৩০ দিন।
ফ্রেয়া ক্যাসল পাথরটি মঙ্গল গ্রহের মূল শিলাস্তরের অংশ নয়। এটি একটি আলগা পাথর।