যেকোনো আসক্তিই শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশের অন্তরায়
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৩ সালের ২০ মার্চ ১৬৩তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন এই আয়োজনে
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৩ সালের ২০ মার্চ ১৬৩তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন এই আয়োজনে
গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিং বা ইতিবাচক অভিভাবকত্ব পদ্ধতিটি সন্তানের সুস্থ ব্যক্তিত্ব ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী
সন্তানের সঙ্গে পরিবারের আচরণের ওপরই তার ব্যক্তিত্বের ধরণ গড়ে ওঠে। তাই সন্তানের সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য ‘গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিং’ বা ইতিবাচক অভিভাবকত্ব অত্যন্ত জরুরি।
গণতান্ত্রিক প্যারেন্টিং হলো শাসন ও ভালোবাসার এমন এক চমৎকার ভারসাম্য, যা সন্তানকে একজন আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল এবং সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
সন্তানকে একটি সুন্দর শৈশব উপহার দেওয়া মা-বাবার অন্যতম বড় দায়িত্ব। জিপিএ বা ভালো ফলাফলের চেয়ে সন্তান যেন
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের ১৭১তম মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় বিশেষজ্ঞরা সন্তানের মানসিক সংকট মোকাবিলায় অভিভাবকদের পরামর্শ দেন। ডা. মোহিত কামাল বলেন, বয়ঃসন্ধিকালে অভিভাবক হোন সহমর্মী বন্ধু এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা গড়ে তুলুন। এতে সন্তান একাকিত্ব থেকে রক্ষা পাবে।
পরীক্ষায় খারাপ ফলাফলে মন খারাপ করে ধূমপানের পথে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের সভায় তানজির আহম্মদ ও শহিদুল আলম বলেন, সঠিক প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাসই প্রকৃত সমাধান। এটি কোনো উপায় নয়, বরং ক্ষতিকর।
পরীক্ষা খারাপ হলে অনেক শিক্ষার্থীর মনেই প্রথম যে চিন্তাটি আসে, তা হলো—‘মা-বাবা কী বলবেন?’ এই ভয় ও টেনশন থেকে মুক্তি কি? এর উত্তরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৬ সালের ১৬ মার্চ একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচক ছিলেন
কোনো আসক্তি থেকে বের হতে হলে পরিবারের সদস্য হিসেবে আমি কিভাবে সেই মানুষটা সাহায্য করতে পারি? এর উত্তরে ডা. ফারজানা রহমান বলেন, ‘আসলে একটা মানুষের নিজের মোটিভেশনটা খুব জরুরি।
অন্যকে দোষ দেওয়ার আগে নিজের সীমাবদ্ধতা বা মানসিক চাপের জায়গাগুলো খতিয়ে দেখতে হবে। এটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় আমাদের নিজস্ব ক্লান্তি বা
হঠাৎ চাকরি হারানো জীবনের সবচেয়ে কঠিন ঘটনা নিঃসন্দেহে। কিন্তু সত্যটা হলো, এটাই পেশাজীবনে আরও ভালো করার দারুণ সুযোগ হতে পারে।
যেকোনো আচরণকে সহমর্মিতার সাথে বিশ্লেষণ করা উচিত। অনেক সময় দেখা যায় কেউ খারাপ আচরণ করে আক্রমন করছেন। আক্রমণকারীর আচরণের পেছনে অনেক সময় ব্যক্তিগত
মনের চাপ কমাতে প্রতিক্রিয়ার বদলে নিয়ন্ত্রণ করুন। সাধারণত কেউ আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করলে আমরা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাই, যা পরিস্থিতির ওপর
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৫ সালের ২ আগস্ট মুক্তকণ্ঠের কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৭১তম পরামর্শ সহায়তা সভা
শিশুর সঙ্গে অভিভাবকের একটা নিরাপদ আবেগের সম্পর্ক থাকতে হবে। এটি কীভাবে তৈরি করা যায়? এর উত্তরে ডা. রাহেনুল ইসলাম বলেন, ধরুন, আমরা বড়রা কোনো একটা বড় ধরনের ভুল করেছি
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের অনলাইন মাদকবিরোধী সভায় ডা. রাহেনুল ইসলাম শিশুদের স্কুল ভীতি নিয়ে আলোচনা করেন। অভিভাবকদের জন্য সুস্থ বন্ধন চেনা, শিশুর মানসিক বিকাশ পর্যবেক্ষণ এবং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়ার ৩টি পরামর্শ তিনি দেন। ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই সভা অভিভাবকদের জন্য উপকারী।
আমাদের এ প্রজন্মের সন্তানেরা প্রযুক্তির কারণে মুহূর্তেই জানতে পারছে দূরদেশের বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের সাথে কেমন আচরণ করছেন। এই সহজলভ্য তথ্যের কারণে তারা নিজেদের জীবনের সাথে একটি অদৃশ্য তুলনা শুরু করে।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচক ছিলেন কেন্দ্রীয়
শিশু যখন কোনো ভুল করে বা বিপদে পড়ে, তখন সে যেন প্রথমেই আপনার কাছে আসার সাহস পায়। সম্পর্কটি এমন হওয়া উচিত যেখানে:
আধুনিক ও ব্যস্ত নগরজীবনে দুশ্চিন্তা আর মানসিক চাপ যেন আমাদের নিত্যসঙ্গী। প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির অমিল থেকে তৈরি হওয়া এই মানসিক চাপ কীভাবে সামলানো যায়, সে বিষয়ে জরুরি
একজন শিশুর দৃষ্টিকোণ থেকে সবার আগে আসেন তার বাবা-মা। তাদের পৃথিবীর সাথে তার প্রাথমিক সম্পর্কটা এই দুজনের মাধ্যমে হচ্ছে। এর পাশাপাশি কিন্তু স্কুল আরেকটি সিস্টেম, যেখানে টিচাররা আছেন, দারোয়ানেরা আছেন, সাপোর্টিং স্টাফরা আছেন
ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা বর্তমান প্রজন্মের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন আশঙ্কাজনক আসক্তিতে রূপ নিয়েছে। অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে তরুণেরা বাস্তব জগত থেকে ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে বলে পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন