২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর কি সত্যিই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে
বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স জার্নালে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল।
বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স জার্নালে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল।
বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, জোয়ারের ক্ষুদ্র চাপের মাত্রা খুবই কম এবং তা মানুষের হাতের মৃদু চাপের মতো হয়ে থাকে। তবু এ সামান্য চাপ কিছু কিছু চ্যুতি বা ফল্ট লাইনে ধীরগতির ভূমিকম্প বা স্লো আর্থকোয়েক ঘটাতে সক্ষম।
মঙ্গল গ্রহের ইতিহাস এবং সেখানে অতীতে পানির উপস্থিতির তথ্য জানতে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।
সৌরজগতের অন্য কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।
মহাশূন্যে বিস্ফোরিত এই শক্তিশালী তরঙ্গগুলো পৃথিবীর প্রযুক্তিগত পরিকাঠামোর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশ ও স্থলভাগের পাশাপাশি এবার সমুদ্রের গভীরে সৌরশক্তির যুগ শুরু হতে চলেছে। সোলার সেলগুলোর মাধ্যমে সমুদ্রের নিচে সেন্সরযুক্ত ক্যামেরা ও যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা যাবে।
সৌরজগতের বাইরের একটি বহির্গ্রহ থেকে আসা রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছেন হার্ভার্ড অ্যান্ড স্মিথসিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকস ও ইউনিভার্সিটি অব ওরেগনের একদল বিজ্ঞানী।
প্রকৃতির বরফে ঢাকা মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকার তলদেশে লুকিয়ে আছে নানা রহস্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ সম্মাননা বিশ্বজুড়ে আমেরিকার নোবেল হিসেবে পরিচিত।
চীনের বিলবোর্ডে তারকাদের বদলে এখন স্থান পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। দেশটির সামাজিক মূল্যবোধে জ্ঞান ও বিজ্ঞানের প্রতি সম্মানই এর কারণ বলে জানানো হয়েছে।
বার্ড ফ্লু আশঙ্কায় দক্ষিণ–পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ম্যাককুয়ারি দ্বীপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানী ও কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যানবেরার সরকার। বন্য প্রাণীদের মধ্যে ভাইরাস ছড়ানোর উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতেই এই পদক্ষেপ।
আমাদের সৌরজগতের গঠনপ্রক্রিয়ার অভিনব সিমুলেশন উপস্থাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী নাদের হাগহিগিপুর।
সূর্যের আলো ব্যবহার করে এন্ট্যাঙ্গলড ফোটন তৈরির দাবি করেছে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব অটোয়া ও জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর দ্য সায়েন্স অব লাইটের বিজ্ঞানীরা; অপটিকা সাময়িকীতে বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে। চিয়াং লি জানান, তৈরি ফোটন প্রায় ৯৪ শতাংশ কাছাকাছি নিখুঁত এন্ট্যাঙ্গলমেন্টে ছিল এবং বেলের অসমতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।
শারীরিক গঠন, বিবর্তন এবং বৈচিত্র্যের দিক থেকে টিকটিকি কীভাবে ডাইনোসর থেকে আলাদা এবং বর্তমানে কেন তারা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
কোয়ান্টাম ক্রোমোগতিবিদ্যায় পূর্বাভাস দেওয়া হলেও প্রায় ৫০ বছর পর বেইজিংয়ের একটি কোলাইডারে এক্স(২৩৭০) কণার ভেতরে গ্লুবল কণার সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের নিকটবর্তী একটি মুমূর্ষু তারার চারপাশে পানি ও মহাজাগতিক ধূলিকণার অস্তিত্ব শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
লাল মঙ্গলের গেইল ক্র্যাটারে নাসার কিউরিওসিটি রোভারের তোলা এক ছবিতে জেলিফিশের মতো দেখতে অবয়বের দাবি ঘিরে মহাকাশপ্রেমী ও ইউএফও গবেষকদের মধ্যে নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
স্টার কোলাবরেশনের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যারিয়ন সংখ্যা কোয়ার্কের ওপর নয়, বরং গ্লুঅন জংশনের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়, যা পদার্থবিজ্ঞানের ৫০ বছরের পুরনো রহস্যের সমাধান দিচ্ছে।
পরিসংখ্যানগত মেকানিকসে অসামান্য অবদানের জন্য চার তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীকে ডিরাক মেডেল ২০২৬ প্রদান করেছে আইসিটিপি।
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ফিজিকসের গবেষকেরা ‘জে০১৪৮-৪২১৪’ গ্যালাক্সিতে একসঙ্গে তিনটি সক্রিয় সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের সন্ধানের তথ্য দিয়েছেন।
মধ্যযুগের মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পাণ্ডুলিপির মাত্র পাঁচ শতাংশ অনূদিত হলেও তাদের গবেষণা আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ গবেষণার ভিত্তি স্থাপন করেছে।
ইংরেজি নামের বানানে মিল থাকায় ইবনে আল-হাইসামের সঙ্গে অনেকেই আল–খাজিনিকে গুলিয়ে ফেলেন। তাঁর বহু আবিষ্কার পরবর্তী ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় সূর্যের পৃষ্ঠে 'কেলভিন-হেলমহোল্টজ ইনস্ট্যাবিলিটি' বা অদৃশ্য ঘূর্ণিপাক শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা, যা সৌরঝড়ের পূর্বাভাস পেতে সাহায্য করবে।
ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের মার্টিনিক দ্বীপে অবস্থিত মাউন্ট পিলি আগ্নেয়গিরিতে সম্প্রতি ভূকম্পন ও ভূমির পরিবর্তন দেখা গেছে, যা প্রায় শতবর্ষ পর পুনরায় সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।