২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর কি সত্যিই পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে
বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স জার্নালে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল।
বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স জার্নালে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল।
মহাশূন্যে বিস্ফোরিত এই শক্তিশালী তরঙ্গগুলো পৃথিবীর প্রযুক্তিগত পরিকাঠামোর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।
পেপারক্লিপ থেকে শুরু করে পুরো সমাজব্যবস্থার ভেঙে পড়া, আশঙ্কা অনেক। একটি ‘সুপারইন্টেলিজেন্ট’ এআই কি সত্যিই মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে?
সূর্য বিষুবরেখার ঠিক ওপর দিয়ে যাওয়ায় আজ পৃথিবীর উভয় গোলার্ধে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান। জ্যোতির্বিজ্ঞান ও আবহাওয়া বিজ্ঞানের ভিন্নতা ও ঋতু পরিবর্তনের কারণ বিশ্লেষণ।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ মাইল নিচে থাকা গভীর ভূগর্ভে পানির বিশাল ভান্ডার লুকিয়ে থাকতে পারে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের মতে, মহাবিশ্ব যে কতটা ‘বিস্ময়কর’, এ ঘটনা তা আরও একবার মনে করিয়ে দিল।
পশ্চিম ইউরোপে ১৯৯৯ সালের পর এ প্রথম এমন বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছেন কোটি কোটি মানুষ।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার জ্ঞানতত্ত্ব অনুযায়ী সত্যের উৎস এক এবং সব সহি জ্ঞান অবশেষে একই হাকিকতের দিকে অগ্রসর হয়; এই প্রেক্ষাপটে সত্যের মানদণ্ড ও যাচাইকরণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা।
প্রায় ১৬ কোটি বছরের বেশি সময় ধরে ডাইনোসর পৃথিবীর বুকে রাজত্ব করেছিল।
প্রতিবছর ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ; বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের দুর্গম পাহাড়ি হ্রদগুলোর বাস্তুসংস্থান রক্ষায় বিমান থেকে মাছ ছাড়ার এক বিশেষ বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
সোভিয়েত বিজ্ঞানীদের তৈরি পৃথিবীর গভীরতম গর্ত 'কোলা সুপারদীপ বোরহোল' এবং ভূ-তাত্ত্বিক রহস্য উন্মোচনের সেই রোমাঞ্চকর অভিযানের কাহিনী।
পৃথিবী থেকে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরে থাকা তেমনই এক দানবীয় গ্রহের সন্ধান পেয়েছে নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট।
মঙ্গল গ্রহের কৃত্রিম পরিবেশে এক বছর বসবাস করে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং সিমুলেটেড সারফেস অপারেশনে অংশ নেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছে নাসা।
মানুষ তার নিজের তৈরি প্রযুক্তির ক্ষতি থেকে বাঁচতে যখন প্রকৃতির ওপর কৃত্রিম নিয়ন্ত্রণ চালাতে যায়, তখন জন্ম নেয় নতুন কোনো বিপদ।
পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মাইল গভীরে, প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে থাকা তরল বহিঃকেন্দ্রের গলিত লোহার একটি বিশাল স্রোত বা নদী নিজের গতিপথ পরিবর্তন করে বিজ্ঞানীদের চমকে দিয়েছে।
পৃথিবীর বুক থেকে অলক্ষ্যে হারিয়ে যাচ্ছে সুপেয় পানির জলাশয়।
নাসা এমন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যেটি মহাকাশে থাকা একটি মাত্র টার্মিনাল বা যন্ত্র ব্যবহার করেই একাধিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
উষ্ণতা বাড়ছে, সংকুচিত হচ্ছে নিরাপদ কার্বন বাজেট।
পৃথিবী কীভাবে প্রাণ ধারণের উপযোগী হয়ে উঠেছে এবং কীভাবে এখানে প্রাণ ধারণের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো এসেছে, তা বিজ্ঞান–দুনিয়ায় এখনো এক অমীমাংসিত রহস্য।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে অসীম মহাশূন্যে ওড়ার পথে কোনো বাধা নয়, তা প্রমাণ করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্যারাঅলিম্পিয়ান এবং সার্জন জন ম্যাকফল।
পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাওয়ার বর্তমান হার গত ৩৬ লাখ বছরের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।
প্রায় ৪২ হাজার বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে গর্তটি তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মহাজাগতিক শূন্যতায় ঘেরা সৌরজগতের দূরবর্তী প্রান্তে লুকিয়ে আছে শত শত অমীমাংসিত রহস্য।