যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড–ডেনমার্কের নিরাপত্তা চুক্তি সই, কী আছে চুক্তিতে
চুক্তিতে বলা আছে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে দুটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে।
চুক্তিতে বলা আছে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে দুটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে।
যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে ডেনিশ স্বশাসিত গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তাবিষয়ক নতুন যে সমঝোতা হয়েছে, তা বেশ ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে স্নায়ুযুদ্ধকালে একটি সাবেক সামরিক ঘাঁটি আবার চালু করার পরিকল্পনা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে গ্রিনল্যান্ড কিনে নিতে চেয়েছিলেন। এরপর তিনি বলপ্রয়োগ করে তা দখলের হুমকি দেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহী, তবে এখন গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, গত ৫০ বছরে গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকা থেকে ১১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে প্রায় ৩ সেন্টিমিটার।
গ্রিনল্যান্ডে বড় মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের চুক্তি হয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডে বড় ধরনের সামরিক উপস্থিতির লক্ষ্যে ডেনমার্কের সঙ্গে চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন প্রভাব বিস্তারে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্ররা।
গ্রিনল্যান্ডের বরফ স্তরের গভীরে ড্রিলিং বা ছিদ্র করে বিজ্ঞানীরা এর অতীত এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এক চমকপ্রদ তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।
ন্যাটোর মোট ব্যয়ের বেশির ভাগ যুক্তরাষ্ট্র বহন করে, যা প্রায় ৬০ থেকে ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র একাই জোটভুক্ত বাকি দেশগুলোর সম্মিলিত ব্যয়ের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে।
যেখানে বছরের বেশিরভাগ সময় সূর্য লুকোচুরি খেলে এবং তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে থাকে, সেখানে রমজান পালন করা যেন এক রোমাঞ্চকর আধ্যাত্মিক যুদ্ধ।
বাস্তবে গ্রিনল্যান্ডে বড় ধরনের কোনো চীনা বিনিয়োগ নেই। অবকাঠামো কিংবা খনিশিল্পে চীনা কোম্পানিগুলোর কার্যকর অংশগ্রহণ দেখা যায়নি।
গ্রিনল্যান্ডের বরফ কেবল তাপমাত্রা বাড়ার কারণে নয়, বাতাসের সঙ্গে ভেসে আসা ক্ষুদ্র ধূলিকণার কারণেও দ্রুত গলে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের যুক্তি হলো, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত উপস্থিতি না থাকলে চীন ও রাশিয়া সেখানে প্রভাব বিস্তার করবে। এতে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন জোর করে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিলেন, তখন ইউরোপের তাঁর ভক্তদের শিশুসুলভ কল্পনা ভেঙে পড়ল।
মার্ক রুটে বলেন, ‘সে ক্ষেত্রে আপনারা আমাদের স্বাধীনতার চূড়ান্ত নিরাপত্তাদাতা হারাবেন। আর সেটি হলো, যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সুরক্ষাবলয়। তাই বলছি, শুভকামনা রইল।’
তীব্র আবহাওয়ায় বিদ্যুতের তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে ভবিষ্যৎ চুক্তির ‘কাঠামো’ গুছিয়ে আনার দাবি করেছেন ট্রাম্প।
সাত মহাদেশের শতাধিক দেশ ভ্রমণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি দম্পতি শাহারিয়াত শারমীন ও রেজাউল বাহার। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গিয়েছিলেন গ্রিনল্যান্ডে।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করার হুমকি দিলেও ইউরোপ একরকম মুখ বুজে আছে।
মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক কৌতুক করে বলেছেন, ট্রাম্পের এই বোর্ডের নাম শান্তি না হয়ে টুকরো হওয়া উচিত ছিল।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল বুধবার বলেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা কার হাতে থাকবে, তা রাশিয়ার চিন্তার বিষয় নয়।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ইউরোপীয় মিত্রদের তিরস্কার করেছেন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।