ট্রাম্প কেন হঠাৎ গ্রিনল্যান্ডে সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে গেলেন
গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ সরে আসার ঘোষণা দিলেন। এর মাধ্যমে তাঁর প্রশাসনের গত কয়েক সপ্তাহের নীতিগত বিশৃঙ্খলার অবসান হলো।
গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ সরে আসার ঘোষণা দিলেন। এর মাধ্যমে তাঁর প্রশাসনের গত কয়েক সপ্তাহের নীতিগত বিশৃঙ্খলার অবসান হলো।
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সম্ভাব্য চুক্তিটি ‘আমি যেমনটা চেয়েছিলাম, ঠিক তেমনই একটি চুক্তি।’
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড লুকিয়ে রেখেছে সাড়ে চার হাজার বছরের মানব ইতিহাস। বরফের আড়ালের এ দেশের অজানা ১০টি দিক তুলে ধরা হলো ছবির গল্পে।
গ্রিনল্যান্ড দখলের সিদ্ধান্তে অনড় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই থাকা উচিত।
গ্রিনল্যান্ড কেনার ভাবনাটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মাথায় ঢোকান তাঁর এক বন্ধু, প্রসাধন কোম্পানি অ্যাস্টো লাউডারের অন্যতম উত্তরাধিকারী রোনাল্ড লাউডার। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ট্রাম্পের প্রধান পরিচয় ছিল একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী হিসেবে। ঘরবাড়ি, হোটেল, গলফ কোর্স বানাতে তাঁর জুড়ি নেই।
গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা নিয়ে নিজের অবস্থানে এখনো অনড় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির মুখে সেখানে অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে ডেনমার্ক।
ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলেই গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন তাঁর সাবেক এক উপদেষ্টা।
পৃথিবীর শেষ প্রান্তভাগের গ্রামটির মানুষ কীভাবে বাঁচে
তিনি বলেছেন, পুরস্কার না পাওয়ার পর এখন কেবল শান্তির কথা ভাবতে আর রাজি নন তিনি।
গ্রিনল্যান্ড দখলে বাধা দিলে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর চড়া শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলো ডেনমার্ককে সমর্থন দিয়েছে।
গ্রিনল্যান্ড দিতে রাজি না হওয়ায় ইউরোপের ৮টি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে যত খুশি সেনা পাঠাতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, তিনি গ্রিনল্যান্ডকে ‘নিরাপদ’ করতে চান। বাস্তবে তিনি চান এর খনিজ সম্পদ এবং আমেরিকাকে আবার বড় করতে।
গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছেছেন ইউরোপের ছয়টি দেশের সেনারা।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
গত জুনে ইরান, ডিসেম্বরে নাইজেরিয়া এবং জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের হামলা গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা পোষণ করেন।
বরফমুক্ত হতে থাকা সুমেরু অঞ্চলে সম্পদ, ভূখণ্ড এবং আটলান্টিকের প্রবেশপথ নিয়ে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা।
গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দারা ডেনমার্ক থেকে আলাদা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেতে রাজি হওয়ার জন্য প্রত্যেককে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যেই এমন দখলদার মানসিকতা বৈধতা পায়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, এই জোটের প্রয়োজনীয়তা কোথায়।