বাংলা কিউআরের মার্চেন্ট বেড়ে ৩৭ লাখ
অক্টোবর থেকে কিউআরে টাকা নেওয়ায় মার্চেন্টদের কোনো খরচ নেই। গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ এবং নগদে তা গ্রাহককে ফেরত দিতে মাশুল দিতে হবে না মার্চেন্টদের।
অক্টোবর থেকে কিউআরে টাকা নেওয়ায় মার্চেন্টদের কোনো খরচ নেই। গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ এবং নগদে তা গ্রাহককে ফেরত দিতে মাশুল দিতে হবে না মার্চেন্টদের।
আয়করের বদলে মোট বিক্রির ওপর ন্যূনতম ‘টার্নওভার কর’ আরোপের ভয়ে ডিজিটাল লেনদেনের রেকর্ড রাখতে অনীহা ক্ষুদ্র ও খুচরা ব্যবসায়ীদের।
বাসে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা চালকের তথ্য, রেটিং-রিভিউ ও মন্তব্য দিতে পারবেন; পাশাপাশি নিরাপত্তা মনিটরিংয়েও যুক্ত হতে পারবেন।
১ নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সরাসরি অন্য ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ওয়ালেটে টাকা পাঠাতে পারবেন, যা লেনদেনকে আরও নিরাপদ ও সহজ করবে।
বাংলাদেশে ক্যাশলেস অর্থনীতির যাত্রা নতুন নয়। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট আর ডিজিটাল ওয়ালেটের পথ ধরে এবার বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে এসেছে ‘বাংলা কিউআর’।
ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ উদ্যোগটি সময়োপযোগী হলেও এর ব্যাপক প্রসারে খুচরা বিক্রেতাদের সম্পৃক্ততা এবং মাশুল সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে ওঠা প্রয়োজন।
বাংলা কিউআর কোড বাধ্যতামূলক করার পর এই সেবার আওতায় দিনে লেনদেন হচ্ছে ১১ থেকে ১২ কোটি টাকা। অথচ ব্যাংকের কার্ড ও এমএফএস গ্রাহকেরা দৈনিক ৩৪০ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন করেন।
এত দিন ব্যাংক ও এমএফএসগুলো লেনদেনে ভিন্ন ভিন্ন কিউআর কোড ব্যবহার করত। বুধবার থেকে সর্বজনীন হয়েছে বাংলা কিউআর কোড।
নগদ চালু করল ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট সেবা, যা ক্যাশলেস লেনদেনকে সহজ ও দ্রুততর করবে সব গ্রাহকের জন্য।
গুগল ক্যাপচার পরিবর্তে কিউআর কোড স্ক্যান করে যাচাইয়ের নতুন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করেছে। এতে ব্যবহারকারীর ফোন ও ওয়েব কার্যক্রমের সংযোগ তৈরি হওয়ায় গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ডি-গুগলড ফোনগুলোতে এটি কাজ নাও করতে পারে।
জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আনতে সরকার ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ চালু করেছে। প্রথমে ঢাকার দুই ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে এটি শুরু হয়েছে বিপিসি। কিউআর কোডের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ৩০ জুনের মধ্যে সব মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআর চালুর নির্দেশ দিয়েছে। গতকাল বুধবার জারি নির্দেশনায় প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান ও আন্তঃলেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ১ জুলাই থেকে এটি বাধ্যতামূলক হবে।
বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও টেকসই আর্থিক বনিয়াদ গড়ে তুলতে ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।