সেগুনবাগিচায় দখলমুক্ত ফুটপাতে বরেণ্য ব্যক্তিত্বদের প্রতিকৃতি আঁকল ডিএসসিসি
সেগুনবাগিচায় দখলমুক্ত ফুটপাথ সংস্কার করে সেখানে জয়নুল আবেদিন ও রবীন্দ্রনাথসহ ১০ বরেণ্য ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি এঁকেছে ডিএসসিসি।
সেগুনবাগিচায় দখলমুক্ত ফুটপাথ সংস্কার করে সেখানে জয়নুল আবেদিন ও রবীন্দ্রনাথসহ ১০ বরেণ্য ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি এঁকেছে ডিএসসিসি।
জনপ্রিয়তার বিচারে না গিয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশে, আমার ধারণা, গ্রহণযোগ্যতার বিচারে অন্য লেখকদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন কাজী নজরুল ইসলাম।
রাজধানী ঢাকার কাছেই মানিকগঞ্জ। সহজ যোগাযোগের কারণে এক দিনের ভ্রমণে ঘুরে দেখা যায় জেলার জমিদারবাড়ি, প্রাচীন মসজিদ-মন্দির, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও নদীকেন্দ্রিক নানা স্থান। সাটুরিয়ার বালিয়াটি ও...
কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৌরুষ কি শুধু বীরত্ব, নাকি তার গভীরে আছে অভিমান, প্রেম ও আত্মদানের বোধ? উপনিবেশ, জাতপাত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইয়ে কেমন ছিল সেই পুরুষকার? নজরুলের সেই স্বতন্ত্র সত্তার উৎস খুঁজেছেন তাহমিদাল জামি
কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্বরচিত উদ্দীপনামূলক ‘জেলেদের গান’ পরিবেশনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন, যা ছিল ৮৪ পঙ্ক্তিতে রচিত এক দীর্ঘ পরিবেশনা।
কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শরৎকালীন সেমিস্টারের নবীনবরণ ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্যাপিত হয়েছে।
নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ যখন প্রথম ছাপার অক্ষরে বেরোয়, বিনয় সরকার তখন বার্লিনপ্রবাসী। সেই প্রবাসে থেকেই ‘বিদ্রোহী’ পড়ে তিনি মুগ্ধ হয়ে যান এবং উচ্ছ্বসিত ভাষায় সেই মুগ্ধতার প্রকাশও ঘটান। সেই ১৯২২ সালেই তাঁর দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা: ‘নজরুল আধুনিক বাংলাকাব্যের যুগ-প্রবতর্ক।’
নজরুল বললেন, ‘তুমি আরেকটা গান শোনাও।’ একটা হারমোনিয়াম নিজে এনে আমার সামনে দিলেন। খানিকটা বাজানোর পর দেখি, একটা রিড উঠলে দূরের আরেকটা উঠে যায়।
বহুল পরিচিত গান-কবিতার বাইরে নজরুলের সৃষ্টির লোকায়ত একটি অধ্যায় দর্শকের সামনে তুলে ধরাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি বিচারাধীন বন্দী নজরুল আদালতে নিজের বক্তব্য পেশ করেন। পরবর্তীকালে সেই বক্তব্য বাংলা সাহিত্যে ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ নামে স্থায়ী জায়গা অর্জন করে।
তৎকালীন নাট্যমঞ্চ ও চলচ্চিত্রের সনাতন প্রথায় নারদ চরিত্রটি ছিল দীর্ঘ শ্মশ্রুমণ্ডিত, জটাধারী ও অন্ধ ভক্তির প্রবীণ আড়ষ্ট রূপক। নজরুল সেই কৃত্রিমতা ভেঙে পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন এক ক্লিন-শেভড, চুনো করা ঝাঁকড়া চুলের সুদর্শন ও প্রাণবন্ত যুবকের বেশে।
শতবর্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১২০ শিল্পীর কণ্ঠে ধ্বনিত হলো ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’।
১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসে এক বিরল আলোকচিত্রের জন্ম দেয়, যা শুধু দুজন মানুষের প্রতিকৃতি নয়, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের দুই মহিরুহ—কাজী নজরুল ইসলাম ও জসীমউদ্দীনের শেষ যুগল উপস্থিতির একমাত্র দৃশ্যমান দলিল।
নজরুলের ‘দুখু’ নামের উৎস, পারিবারিক পরিচয়, বংশীয় ঐতিহ্য এবং তাঁর স্বভাবের ব্যাখ্যা নিয়ে যে সরলীকৃত ধারণা প্রচলিত হয়েছে, তা ইতিহাসসম্মত তথ্যের আলোকে নতুনভাবে দেখা জরুরি।
মানবতায় হৃদয়সংবেদী প্রেমিক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। বহু গুণের এ মানুষ গান, কবিতা, গল্প, নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। যেখানে তিনি একাধারে গীতিকার, সংগীত পরিচালক, কাহিনিকার, সুরকার ও নির্মাতা হয়ে কাজ করেছেন। অভিনয় করেছেন দাপটের সঙ্গে।
সাম্য, মানবতা ও দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় নিভে যায় এই অনন্য প্রতিভার জীবনপ্রদীপ।
পূর্ব পাকিস্তানের একমাত্র যে সর্বজনমান্য ব্যক্তিত্বকে পশ্চিম পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ডাকটিকিটের বিষয় হিসেবে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিল, তিনি হলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম সৃষ্টিশীল ছিলেন মাত্র ২৩ বছর। নজরুলের এই ২৩ বছরের সাহিত্যজীবনের সৃষ্টিকর্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
একদিন নতুন নির্দেশ এল যে নজরুলের লেখা যেকোনো পাণ্ডুলিপি দ্রুত পরীক্ষা করে পাঠাতে হবে। হরিদাসের বুকের ভেতর কেমন যেন আনন্দ হলো।
১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ। কলকাতার ৩/৪ সি, তালতলা লেনের একটি বাড়ির নিচতলার দক্ষিণ-পূর্ব কোণের ঘর।
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলার মুসলমান সমাজের সাংস্কৃতিক অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ১৯২০ সালে মোসলেম ভারত পত্রিকায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে লেখেন ‘ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ (আবির্ভাব)’ শীর্ষক কবিতা।
স্বতন্ত্র প্রবন্ধকারে নজরুল-জীবনী প্রথম লিখিত হয় ১৯৪১ সালে। ১৩৪৭ সালের ২৯ পৌষ সোমবারের দৈনিক কৃষক পত্রিকায় ‘নজরুল-জন্মবার্ষিকী’ শিরোনামে এবং সে বছরেরই ঈদসংখ্যা সাপ্তাহিক কৃষক পত্রিকায় ‘নজরুল-জীবনী’ শিরোনামে কবি আবদুল কাদির রচিত দুটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।
নজরুল দেখিয়েছেন কী সহজে নবীর নাম ‘আহমদ’, আল্লাহর নাম ‘আহাদের’ লক্ষণা হয়ে ওঠে। এই ক্ষেত্রে নজরুল মৌলিক, এই দাবি আমি করছি না।