হালকা-হালকা রসিক হাওয়া
দেশে কত মহাজ্ঞানী কত কী যে জ্ঞান দেয়/ শিশু ঠিকই বোঝে এরা এত কিছু ক্যান দেয়/ নিশ্চয়ই আড়ালে যে আছে কোনো মতলব/ ঠিকই এরা তলেতলে কমবেশি বদ লোক।
দেশে কত মহাজ্ঞানী কত কী যে জ্ঞান দেয়/ শিশু ঠিকই বোঝে এরা এত কিছু ক্যান দেয়/ নিশ্চয়ই আড়ালে যে আছে কোনো মতলব/ ঠিকই এরা তলেতলে কমবেশি বদ লোক।
অশোকের ডালে বসে নিরজনে গান করছে যে হলুদ-পা হরিয়াল/ বিলুপ্ত হলেও বিরল এ প্রজাতি/ থেকে যাবে পরিযায়ী বলাকার পথরেখা—/ অজস্র কীট মরে গিয়ে সহস্র বছরে তৈরি হয়েছে পুঞ্জ পুঞ্জ প্রবাল,/ নির্দিষ্ট তিথিতে ফিরে আসবে সর্পিল জ্যোতিষ্ক/ ধূমকেতুটির পাওয়া যাবে ফের দেখা;
কোথাও বসে হয়তো ভাববো-/ এক দ্যুতিময় ঠোঁটে মৃত্যু–আভাস/ নিয়ে উড়ে যাবে ফ্যালকন/ সমান্তরাল পাকা ধানের খেত/ তা গ্রাম না হয় শহর/ আরও একটু/ সামান্য এগিয়ে গেলেই পাখিদের পাঠ্যক্রম।
রিফাত চৌধুরীর গুচ্ছ কবিতা ‘কামান’ ও অন্যান্য কবিতা
শিহাব সরকারের কবিতা ‘সিঁড়ির শেষ ধাপে’
অদ্বৈত মারুতের কবিতা ‘সন্ধ্যাভাষা’
চন্দন চৌধুরীর কবিতা ‘ভাত আবিষ্কার’
উম্মে হাবীবার কবিতা ‘বসন্ত বউ’
নিজাম আশ শামসের কবিতা ‘শূন্যকাব্য’
আযাদ কালামের কবিতা ‘নিদ্রাভঙ্গের আতঙ্ক’
আজ বিচক্ষণ মনে হচ্ছে শুধু পাখিদের, যারা নাকি/ রক্তের নির্দেশে আগুপিছু না ভেবেই উড়ে যায়/ অচেনা হাওরে; যেতে যেতে, শত শত ডানার শীৎকারে/ পাল্টে দেয় দৃশ্যপট;
কবি নিতাইয়ের যে অবয়ব তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ‘কবি’ উপন্যাসে দাঁড় করিয়েছেন, সেখানে অনিশ্চিত জীবনের বিপরীতেও নিতাই সগৌরবে নিজেকে দেখতে চেয়েছে মর্যাদার আসনে।
ফারুক মাহমুদের কবিতা ‘অসমাপ্ত ঝগড়াগুলো’
মানুষের মৃত্যু উপভোগ্য ও সমাদৃত। ফলে ভড়কে যাওয়ার অবসর নাই। দূরত্ব পদার্থবিজ্ঞানের প্রহেলিকা। তার ফারাক গোছাতে যাওয়ার মতো বোকামি করতে যাব না।
জাহিদ হায়দারের কবিতা ‘প্রকৃতির অটোফিকশন’
কাঁদতে বসে আমি তোমার নাক দেখি। হাসতে বসে আমি তোমার বুকে মুখ গুঁজে দেই। তুমি নিশ্চয়ই বলবে...
সরোজ মোস্তফার কবিতা ‘দিদি’
জানালা খুলে দেখি সব শান্ত, ঝাড়বাতির নিচে সমবেত লোকেরা পরিপাটি, চকচকে সু পায়ে পুরুষলোকেরা, মহিলারা জামদানি পরে আছে যেন জামের বাগান।
নজরুলের রচনা পাঠ শুরু করার আগে আমি ভেবেছিলাম তিনি হয়তো অলংকারপূর্ণ, লোক-খ্যাপানো বাক্যবাগীশ, এলোমেলো, ভাবাবেগপূর্ণ, অপরিমার্জিত। আসলেই এসব বৈশিষ্ট্য তাঁর রয়েছে। কিন্তু তাঁর শক্তিও বিরাট, মৌলিকত্বও আছে তাঁর।
মাহবুব কবিরের কবিতা ‘আমচাষি’ প্রকাশিত হয়েছে মুক্তকণ্ঠে।
কামরুল হাসানের কবিতা ‘শোভা দেখে যাচ্ছি’
আলফ্রেড খোকনের ‘দালালঘর’ কবিতায় দালালি প্রথা ও দুর্নীতির বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
প্রকৃতি ও মাটির রূপান্তরের কাব্যিক আখ্যান মাসুদ খানের ‘অন্নপূর্ণা’ কবিতা।
সিমেলের চিন্তায় দূরত্ব কোনো সম্পর্কের নিছক ব্যর্থতা নয়। অনেক ক্ষেত্রে দূরত্বই সম্পর্কের শর্ত। ‘অর্থের দর্শন’ বা ‘দ্য ফিলোসফি অব মানি’-তে তিনি বস্তুগত ভ্যালু বা অর্থের সূত্র খুঁজতে গিয়েও ডিসট্যান্স বা দূরত্বের ধারণার কাছে পৌঁছেছিলেন।