যে ৫ ধরনের প্রকল্পে জাকাতের অর্থ ব্যবহার বৈধ নয়
প্রায়ই দেখা যায়, মসজিদ নির্মাণ, মিনারের সৌন্দর্যবর্ধন কিংবা মসজিদের এয়ার কন্ডিশনার ও দৈনন্দিন পরিচালনা খরচের জন্য জাকাতের ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ বা প্রদান করা হয়।
প্রায়ই দেখা যায়, মসজিদ নির্মাণ, মিনারের সৌন্দর্যবর্ধন কিংবা মসজিদের এয়ার কন্ডিশনার ও দৈনন্দিন পরিচালনা খরচের জন্য জাকাতের ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ বা প্রদান করা হয়।
বিনয় মানুষকে ছোট করে না; বরং আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান ও মানুষের কাছেও প্রিয় করে তোলে। বিনয়ী চরিত্র গঠন করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
ইমাম আবু হানিফার আসল নাম নু’মান ইবনে সাবিত—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ইতিহাসে নানা আলোচনা রয়েছে। তাঁর উপনাম ‘আবু হানিফা’ নিয়েও কুফার ভাষায় লিখনের দোয়াত ‘হানিফা’ বলে উল্লেখ করা হয়।
সাহাবিদের জীবন বিশ্লেষণ করলে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য নজর কাড়ে, তা হলো—তাঁদের অপ্রতিরোধ্য জ্ঞানপিপাসা ও সত্য অনুসন্ধানের আকুলতা। তাই তাঁরা প্রচুর প্রশ্ন করতেন।
জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে মানুষ বর্তমানের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। মনে হয়, মৃত্যুই বুঝি সব যন্ত্রণার অবসান। অথচ মানুষের জ্ঞান সীমিত।
আধুনিক যুগে অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়মিত রাত জাগার প্রবণতা মানুষের ভোরের ইবাদত বিনষ্ট করে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট করে, যা নবীজির শিক্ষার পরিপন্থী।
ইংরেজি নামের বানানে মিল থাকায় ইবনে আল-হাইসামের সঙ্গে অনেকেই আল–খাজিনিকে গুলিয়ে ফেলেন। তাঁর বহু আবিষ্কার পরবর্তী ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইসলামে প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনীয় কাজকর্ম বর্জন করতে বলা হয়নি, বরং দুনিয়াকে চূড়ান্ত লক্ষ্য বানিয়ে ফেলা এবং এর অন্ধ মোহে পড়ে আখেরাত ভুলে যাওয়াকে কঠিনভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
জীবনে যে যত বেশি ভালো আমল করবে, তিনি তত বেশি উঁচু স্তরে থাকবেন। কেউ তার প্রাপ্যের চেয়ে কম পাবেন না। এখানেই আফসোসের জায়গাটা।
তাঁদের অর্জিত বিপুল ধনসম্পদ কখনো ব্যক্তিগত ভোগবিলাস বা ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়নি; বরং তা ব্যবহৃত হয়েছে সমাজকল্যাণ, মানবিক পুনর্বণ্টন এবং রাষ্ট্রীয় সংকট নিরসনে।
ইসলামে বিরতি বা ছুটি কাটানো কোনো অন্যায় নয়; বরং এটিকে যদি সঠিক নিয়তে ও পরিকল্পনামতো কাজে লাগানো যায়, তবে তা মানসিক শক্তি পুনরুদ্ধারে দারুণ ভূমিকা রাখে।
বিজ্ঞান ও ধর্মের নিজস্ব সীমানা এবং জ্ঞানের স্তরবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার দর্শনের বিশ্লেষণ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সৌজন্যে অন্যের হাসিখুশি মুখ আর কৃত্রিম সুখের ছবিটাই বেশি দেখি। অথচ একটু আগেই হয়তো সে কারও সঙ্গে রাগারাগি করেছে বা একা বসে কান্না করেছে।
মুসলিম ঐতিহাসিকেরা ইতিহাস লিখনপদ্ধতিতে দুটি প্রধান বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। ইতিহাসকে রূপকথা বা অতিরঞ্জন থেকে মুক্ত করে তথ্যভিত্তিক ও যৌক্তিক বিজ্ঞানে রূপান্তর করার কৃতিত্ব মুসলমানদের।
ফকিহগণ এ নিয়ে মতভেদ করেছেন যে মিসওয়াক নির্দিষ্টভাবে অজুর সুন্নত, নাকি নামাজের সুন্নাহ, নাকি ইসলামের একটি সাধারণ সুন্নত, যা সর্বাবস্থায় ও সর্বসময়ে কাম্য?
নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী, প্রাণবন্ত ও ভালোবাসায় ঘেরা। তাঁর ঘর কোনো যান্ত্রিক বা আবেগহীন স্থান ছিল না; বরং তা ছিল মানবিক অনুভূতির এক জীবন্ত কেন্দ্র।
জীবনের প্রতিটি ঘটনা কি আগে থেকেই নির্ধারিত, নাকি কাজের ক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতা আছে? যদি নির্ধারিত থাকে, তবে ভালো বা মন্দের জন্য মানুষকে কেন দায়ী হবে?
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশ্বজনীন আহ্বান আছে, নিজের জীবনকে তাঁর কাছে সমর্পণ করার আহ্বান। জীবনের ভেতরে তাঁকে অনুভব করতে হলে ৪টি কথা মনে রাখতে হবে।
শয়তানের চ্যালেঞ্জের জবাবে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সুরক্ষার ঘোষণা দিয়েছেন। শয়তান বলেছিল যে সে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, তবে আল্লাহর নিষ্ঠাবান বান্দাদের ওপর তার ক্ষমতা থাকবে না।
নবীদের দোয়াগুলো পাশাপাশি রাখলে একটা মিল চোখে পড়ে। তাঁরা কেউ দীর্ঘ আরজি করেননি। শুধু নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে অপেক্ষা করেছেন আল্লাহর সাহায্যের।
কোরআনে এই পাখির নাম ও ভূমিকা নিয়ে ঐতিহাসিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। নবী সোলাইমানের রাজত্ব এবং সাবা রাজ্যের রূপান্তরের পেছনে এই ছোট্ট পাখির ভূমিকা আশ্চর্যজনক।
প্রথমেই কোরআন পুরো গ্রন্থের অনুরূপ কিছু রচনার চ্যালেঞ্জ দেয়। পরে সেই চ্যালেঞ্জকে আরও সহজ করে ১০টি সুরা রচনার আহ্বান জানানো হয়। পরে মাত্র একটি।
ছোট ছোট ভালো অভ্যাসের ধারাবাহিক চর্চাই মানুষকে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী করে। ইসলাম মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে চরিত্র ও আমলের সৌন্দর্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।