অলসতা থেকে মুক্তি পেতে নবীজির জীবন থেকে ৫ শিক্ষা
অলসতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি আনন্দময়, সতেজ ও কর্মচঞ্চল জীবন গড়ে তোলা কোনো কঠিন বিষয় নয়; এটি মূলত প্রতিদিনের সহজ কিছু অভ্যাসের সমন্বয়।
অলসতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি আনন্দময়, সতেজ ও কর্মচঞ্চল জীবন গড়ে তোলা কোনো কঠিন বিষয় নয়; এটি মূলত প্রতিদিনের সহজ কিছু অভ্যাসের সমন্বয়।
নতুন বৃষ্টির পানি স্পর্শ করা সুন্নত। একবার বৃষ্টি শুরু হলে নবীজি তাঁর গায়ের চাদর সরিয়ে শরীর খানিকটা উন্মুক্ত করে বৃষ্টিতে ভেজান এবং দোয়া পাঠ করেন।
মুমিনের জীবনের অন্যতম প্রধান সাধনা হওয়া উচিত আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা এবং তাঁর অসন্তুষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা। হাদিসে এমন কিছু আমলের কথা এসেছে।
পৃথিবীতে সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কার? বিপদের মুহূর্তে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয়ই–বা কারা? নিঃসন্দেহে তাঁরা আমাদের মা-বাবা। শৈশবে তাঁরাই আমাদের পথ চলতে শিখিয়েছেন।
প্রজ্ঞা হারিয়ে ফেলা মানুষের বিবেককে শয়তান সহজেই ভুল সিদ্ধান্তে ধাবিত করে। ক্ষতিকর সিদ্ধান্তগুলো শয়তান তার সামনে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করে।
একজন সত্যিকারের বন্ধুর সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো, সে আমাদের ভালো চায়। শুধু দুনিয়ার সাফল্য নয়, সে আমাদের আখেরাতের সফলতাও কামনা করে।
মহানবীর শেখানো তিনটি কালজয়ী জিকির ও দোয়া নিয়ে আলোচনা করা হলো, যা আমাদের মনকে এক অদ্ভুত মানসিক প্রশান্তি ও প্রশান্তিময় সুখে ভরিয়ে দেবে।
প্রতিদিন দীর্ঘসময় ভিন্ন মানসিকতা, ভিন্ন মেজাজ ও বিচিত্র সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়। কারো সঙ্গে মতের অমিল হলে মনের ভেতর ক্ষোভ তৈরি হয়।
উপকারের সওয়াব বিনষ্টের কারণ ও ইসলামে দানের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা।
শরীর, মনের শক্তি, কাজের সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের সঙ্গে খাদ্য সরাসরি সম্পর্কিত। আত্মিক একাগ্রতা, ঘুম, মনস্তাত্ত্বিক রূপ ও দৈনন্দিন আচরণের ওপরও খাবারের প্রভাব সুদূরপ্রসারী।
উপদেশ দেওয়ার উদ্দেশ্য অপর মানুষকে ভালো হতে সাহায্য করা, তাকে হেয় করা নয়। কিন্তু কৌশল না জানায় অনেক সময় তা সম্পর্কে ফাটল ধরায়।
গিবত শুধু মুখের কথায় সীমাবদ্ধ নয়। ইশারা-ইঙ্গিত, অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যঙ্গ করা কিংবা লিখে কারো চরিত্রহনন করা, এমনকি পাশে বসে তা উপভোগ করাও গিবতের শামিল।
মহানবী (সা.) আমাদের এমন এক চমৎকার ও প্রজ্ঞাপূর্ণ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে উচ্চারণ করলে জান্নাত পাওয়ার পথ সুগম হবে।
বইটিতে বয়স ধরে ধরে সাজানোর ব্যাপারটাও চমৎকার। পাঠক নিজের বর্তমান বয়সে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, ঠিক এই বয়সে নবীজি কী ধরনের অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
‘না জানা’ কোনো শরমের বিষয় নয়; না জানাকে কবুল করাই প্রকৃত ইলমের আলামত। জ্ঞানের ইতিহাসে বহু বিপর্যয় ঘটেছে সাময়িক জ্ঞানকে চূড়ান্ত জ্ঞান বলে ঘোষণা করায়।
সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত কিছু বিশেষ সুন্নত ও আমলের মাধ্যমে এই দিনকে ইবাদতে পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। জুমার দিনের ১০টি বিশেষ করণীয় আলোচনা করা হলো।
আমরা তথ্য ও জ্ঞানকে এক করে ফেলছি। ইসলামে জ্ঞান অর্জন শুধু মস্তিষ্ককে তথ্যে সমৃদ্ধ করার বিষয় নয়; বরং তা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের প্রধানতম আত্মিক মাধ্যম।
ইসলামি দর্শনকে গ্রিক চিন্তার অনুবাদ হিসেবে দেখানোর প্রবণতার বিপরীতে ইসলামি ঐতিহ্যে স্বাধীন বুদ্ধিচর্চা ও যুক্তিভিত্তিক বিচারপ্রক্রিয়ার বিকাশের কথা তুলে ধরেছে প্রাসঙ্গিক আলোচনাগুলো।
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
সে কখনোই মানুষকে সরাসরি গিয়ে বলে না যে ‘তুমি পাপ করো’। বরং সে পাপের কাজকে কল্যাণকর ও সাময়িক প্রয়োজন হিসেবে উপস্থাপন করে মানুষকে ধোঁকা দেয়।
পারিবারিক শিক্ষার আসল কাজ কি সন্তানকে জীবনের সব চড়াই-উতরাই থেকে দূরে সরিয়ে রাখা, নাকি জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তাদের প্রস্তুত করা—এ প্রশ্ন ঘিরেই ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনস্তাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে।
পরিবর্তনের জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে, এমনটাই জানাচ্ছে পবিত্র কোরআন। আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী, নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করলে জাতির পরিবর্তন সম্ভব নয়।
ইসলামি আইনের উদ্দেশ্য প্রতিশোধ গ্রহণ নয়; বরং সমাজকে সুরক্ষিত রাখা এবং অপরাধীকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। যেখানে আল্লাহর হক জড়িত, সেখানে ইনসাফের জন্য কঠোরতা করা হয়েছে।
মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কোনো কথা, অন্যায় দৃষ্টি, কিংবা মনে মনে চর্চা করা সামান্য গিবত। মনে হয়, এসব তো কবিরা গুনাহ নয়, তাহলে ক্ষতি কী?