ইবাদতের স্বাদ ফিরে পাওয়ার ৫ উপায়
আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব নামাজটা পড়ে শেষ করে দায়মুক্ত হতে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নামাজ আর ইবাদত কি সত্যিই আমাদের জন্য কোনো বোঝা?
আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব নামাজটা পড়ে শেষ করে দায়মুক্ত হতে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নামাজ আর ইবাদত কি সত্যিই আমাদের জন্য কোনো বোঝা?
একজন মুসলমানের জন্য কমপক্ষে এতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক, যতটুকু না হলে ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো পালন করা তার জন্য অসম্ভব।
ইসলামে উসুল ও উদ্দেশ্যভিত্তিক দর্শন বা ‘মাকাসিদুশ শরিয়াহ’ নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এখানে ধর্ম এবং মানবসত্তা হলো সেই দুটি মূল ভিত্তি বা উপরি-সাংবিধানিক মূলনীতি।
কোরআনের এই ব্যাকরণিক যোগসূত্র প্রমাণ করে যে, সুরা ফিলের ঘটনা না ঘটলে সুরা কোরাইশের ‘নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সুবিধা’ (ই–ইলাফ)-র কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিই থাকে না।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার জ্ঞানতত্ত্ব অনুযায়ী সত্যের উৎস এক এবং সব সহি জ্ঞান অবশেষে একই হাকিকতের দিকে অগ্রসর হয়; এই প্রেক্ষাপটে সত্যের মানদণ্ড ও যাচাইকরণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা।
বুফে পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারিত থাকলেও বিক্রীত খাবারের পরিমাণ ও ধরন নির্দিষ্ট থাকে না। তাই ইসলামে এ ধরনের চুক্তি বাহ্যিক দৃষ্টিতে বৈধ হওয়ার কথা নয়।
কেন আমাদের সৃষ্টি করা হলো? কেন জীবনের পর মৃত্যু অবধারিত করা হলো? মৃত্যুর পর কি সবকিছুর সমাপ্তি, নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও বড় কোনো উদ্দেশ্য?
বিপদ–মুসিবত এলে, যখন বাহ্যিকভাবে মুক্তির কোনো উপায় চোখে পড়ে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, আল্লাহ কি আমার ওপর অসন্তুষ্ট?
অনেকে নিজের চরিত্র, যোগ্যতা কিংবা কর্মস্পৃহা বাড়াতে আগ্রহী নন, কিন্তু তাঁর পরিবার কতটা সম্ভ্রান্ত ছিল কিংবা পূর্বপুরুষের সমাজে কী প্রতিপত্তি ছিল—তার গর্বের শেষ নেই।
যে ব্যক্তি আল্লাহর সৃষ্টিজীবের প্রতি দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শন করে, আল্লাহ–তাআলা তার প্রতি অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাকে নিজের বিশেষ রহমতের অন্তর্ভুক্ত করেন।
যেখানে ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব, সেখানে অজ্ঞতা, কুসংস্কার এবং নানা ভ্রষ্টতা বাসা বাঁধে। ফলে মানুষ ইহকাল ও পরকাল—উভয় জগৎই চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
একজন মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব হলো, নিজের জিবকে সংযত রাখা এবং সর্বাত্মক চেষ্টা করা, যেন তার কথা কারও সম্মানহানি বা কষ্টের কারণ না হয়।
আল্লাহ নুহ (আ.)-কে প্রেরণ করে এক আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দেন; কিন্তু সম্প্রদায় তা প্রত্যাখ্যান করে মূর্তিপূজা ও কুসংস্কারে আঁকড়ে থাকায় অবশেষে মহাপ্লাবনের মাধ্যমে তাদের পরিণতি ঘটে।
ভৌগোলিক বা শারীরিকভাবে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের নির্দিষ্ট সময় ও ফজিলত অতীত ইতিহাসে পূর্ণতা পেলেও, হিজরতের আত্মিক দরজা কিন্তু কেয়ামত পর্যন্ত খোলা রয়েছে।
ইসলামে সবর বা ধৈর্য মানে আদেশে অবিচল থাকা, পাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট থাকা।
ইসলামে পরোপকার ও নিঃস্বার্থ জনসেবাকে শ্রেষ্ঠ ইবাদতের মর্যাদায় দেখা হয়। এই মানবিক ধারাই ইসলামের কাঠামোগুলোতে সুবিন্যস্ত; পরোপকার মুমিনের ইমানি দায়িত্ব।
বয়কট চলাকালীন রাতের আঁধারে উটের পিঠে খাদ্য চাপিয়ে উপত্যকার মুখে ছেড়ে দিতেন, যাতে অবরুদ্ধ মানুষগুলো খাবার পায়। কাবার প্রাঙ্গণে কোরাইশ নেতাদের প্রতিবাদ জানান।
মানবিক প্রবণতা হলো, অন্যের জীবনে কোনো বিশেষ নেয়ামত বা সাফল্য দেখলে মানুষের মনে দুটি প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়—পরশ্রীকাতরতা, অথবা আক্ষেপ ও হতাশা।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো, নবীদের মধ্যে ব্যক্তিগত পছন্দের বশে তুলনা না করা। তবে এর অর্থ এই নয় যে নবীজির বিশেষ মর্যাদাগুলো অস্বীকার করতে হবে।
যুদ্ধবন্দীর সন্তান হিসেবে মদিনায় জন্ম নেওয়া হাসান বসরি (রহ.) কীভাবে তাঁর জ্ঞান, তাকওয়া এবং সাহাবিদের সান্নিধ্যে তাবেয়ি যুগের শ্রেষ্ঠ মনীষী ও জাতির বিবেকে পরিণত হলেন, তার জীবনচরিত।
ইসলাম পিতা-মাতার অধিকার ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে; কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং আচার-আচরণের দিকনির্দেশ তুলে ধরা হয়েছে।
নবীজির জীবনে এই দুই পরিস্থিতিরই সরাসরি দৃষ্টান্ত আছে, আর দুটিতেই তিনি নীতি থেকে একচুল সরেননি। ইতিহাসে এমন উদাহরণ অনেক; এখানে দুটি ঘটনার কথা বলছি।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত প্রাচীন কোরআনের একটি পৃষ্ঠা আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক একাডেমিক জগতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।