৪ ধরনের জ্ঞান শিক্ষা করা সবার জন্য ফরজ
একজন মুসলমানের জন্য কমপক্ষে এতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক, যতটুকু না হলে ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো পালন করা তার জন্য অসম্ভব।
একজন মুসলমানের জন্য কমপক্ষে এতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক, যতটুকু না হলে ধর্মের মৌলিক বিষয়গুলো পালন করা তার জন্য অসম্ভব।
রাসুল (সা.) দুপুরের পরিশ্রান্ত ভাব কাটানোর এমন একটি সহজ, স্বাস্থ্যকর ও প্রশান্তিকর অভ্যাস শিখিয়ে গেছেন, যা শরীরকে সতেজ করার পাশাপাশি ইবাদতের শক্তিও জোগায়।
আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে অদৃশ্য সম্পর্ক তৈরি করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম হয় এবং মানুষ সরল ও সঠিক পথে অবিচল থাকার শক্তি অর্জন করতে পারে।
অতীতে একটি মাত্র হাদিস যাচাই করার জন্য অনুরাগী শিক্ষার্থীরা হাজার মাইল পথ সফর করতেন। খাতিব আল-বাগদাদি হাদিস সংগ্রহের সফর বিষয়ে পৃথক ইতিহাস সংকলন করেছেন।
লোকদেখানো উদ্দেশ্যমুক্ত হয়ে শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা। বাহ্যিকভাবে দুজন মানুষ একই কাজ করলেও নিয়তের পার্থক্যের কারণে আল্লাহর কাছে তাঁদের মর্যাদা বদলে যায়।
অকারণে জামাত ত্যাগ করা মোনাফেকের লক্ষণ। আমাদের উচিত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করা এবং পরিবারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
আমরা ‘অবসর’ বলতে যা বুঝি, তার বাহ্যিক আর ভেতরের বাস্তবতার মধ্যে বিরাট ফারাক থাকে। ইসলাম সময় আর অবসরের ধারণাটাকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখে।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পেছনে মিরাজের রাতের ইতিহাস এবং এর ব্যবহারিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন আর জিজ্ঞেস করতে থাকেন, কে আছ যে ডাকবে, আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে, আমি দেব।
বন্যা, ভূমিকম্প, দুর্ভিক্ষ, মহামারি—যুগে যুগে যে নামেই বিপর্যয় আসুক, প্রশ্নটা সব সময় একই থাকে: শরীরের বাকি অংশ কি সাড়া দেবে, নাকি অসাড় থেকে যাবে?
ইসলামের অন্যতম বিধান অজু—নামাজের জন্য প্রতিদিন অজু করতে হয়। রাসুল (সা.)-এর অজুর পদ্ধতি, পানি ব্যবহারের পরিমাণ, ধোয়া- মাসাহের ধরন এবং অজুর দোয়া—হাদিসভিত্তিক এসব বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে।
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
একবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি মৌখিক উত্তর দিলেন না। যেতেও দিলেন না সেদিন। নিজের কাছে রেখে দিলেন দুই দিন।
ইসলাম মানুষের জীবনকে এভাবে ভাগ করেনি যে এক ভাগ দুনিয়া আর আরেক ভাগে ইবাদত। ইসলাম শিখিয়েছে, মানুষের পুরো জীবনই ইবাদত হতে পারে।
মানুষ প্রায়ই নিজের ক্যারিয়ার, স্বাস্থ্য বা মনের শান্তি হারিয়ে একধরনের ‘বার্নআউটে’ ভোগে। এমন কঠিন সময় পার করার জন্য কিছু সহজ অথচ গভীর উপায় পাওয়া যায়।
অনেকেই প্রতিদিন নামাজে বা অন্য প্রয়োজনে মসজিদে যাতায়াত করি, কিন্তু এর আদব ও সুন্নাহ পালনে যথেষ্ট সচেতন নই। এই ছোট ছোট সুন্নাহ মসজিদে প্রবেশকে করে তোলে বরকতময়।
আশুরার একটি বিশেষ আমল হলো রোজা পালন করা। রাসুল (সা.) এ আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং এর গুরুত্বপূর্ণ ফজিলতের কথা বর্ণনা করেছেন।
কারবালার ঘটনার বহু আগে থেকেই ইসলামে এই মাসকে ‘শাহরুল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়েছে। কিন্তু ১২টি মাসের মধ্যে শুধু এই মাসটিই এই মর্যাদা পেল কেন?
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজরের গুরুত্ব ও আবেদন একেবারেই আলাদা। ভোরের সেই স্নিগ্ধ সময়ে নামাজ আদায়ের বিশেষ ১০টি উপহার নিয়ে এই আয়োজন।
নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’
হজ থেকে ফিরে আসার কয়েক মাস পরই সেই আবেগ ও পরিবর্তনের দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন ধরে রাখতে কয়েকটি কাজ করা যেতে পারে।
অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।