বিপরীত লিঙ্গের প্রতি নিষিদ্ধ আকর্ষণ: আত্মশুদ্ধির পথ কী
কোনো যুগল যখন ইসলামের নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম করে বিবাহবহির্ভূত ঘনিষ্ঠতায় জড়িয়ে পড়ে, তখন অন্তরে জন্ম নেয় তীব্র আত্মগ্লানি ও মানসিক অস্থিরতা।
কোনো যুগল যখন ইসলামের নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রম করে বিবাহবহির্ভূত ঘনিষ্ঠতায় জড়িয়ে পড়ে, তখন অন্তরে জন্ম নেয় তীব্র আত্মগ্লানি ও মানসিক অস্থিরতা।
একজন মানুষ কীভাবে কথা বলে, শব্দ নির্বাচনে কতটা সতর্ক থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় আলাপে কতটা সংযম বজায় রাখে, তা দিয়েই নির্ধারিত হয় তার আত্মিক গভীরতা ও চরিত্রের মান।
আল্লাহর ভয় মানে সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকা নয়। এর অর্থ হলো, আল্লাহ আমাকে দেখছেন, তিনি আমার কথা ও কাজ জানেন এবং তাঁর অবাধ্যতার জবাবদিহি আমাকে করতে হবে।
তাহাজ্জুদ নামাজ, চাশত-ইশরাকের নামাজ, নফল রোজা, দান-সদকা ও পবিত্র কোরআন পাঠ বান্দার অন্তরে আল্লাহর প্রতি বিশেষ ভালোবাসা তৈরি করে।
যেখানে পাপকর্মে লিপ্ত হওয়ার সব সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শুধু আল্লাহর ভয়ে নিজেকে সংযত রাখা এবং প্রবৃত্তির চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেওয়াই হলো খাঁটি মুত্তাকির বৈশিষ্ট্য।
মানবদেহে এমন একটি সূক্ষ্ম অথচ অতীব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে, যার সুস্থতার ওপর সমগ্র জীবনের আলো ও অন্ধকার নির্ভর করে। সে অঙ্গটি হলো ‘কলব’ বা অন্তর।
আল্লাহকে ভুলে গেলে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। যে জীবনকে আল্লাহ আখেরাতের পাথেয় সংগ্রহের সুযোগ হিসেবে দিয়েছেন, সেটিই তখন চূড়ান্ত গন্তব্য বলে মনে হয়।
সম্পর্কের শুরুতে প্রিয় মানুষের প্রতি তীব্র আকর্ষণ বা 'লিমারেন্স' অনেক সময় দৈনন্দিন জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে। কীভাবে এই মানসিক অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়, তা জানুন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সৌজন্যে অন্যের হাসিখুশি মুখ আর কৃত্রিম সুখের ছবিটাই বেশি দেখি। অথচ একটু আগেই হয়তো সে কারও সঙ্গে রাগারাগি করেছে বা একা বসে কান্না করেছে।
আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশ্বজনীন আহ্বান আছে, নিজের জীবনকে তাঁর কাছে সমর্পণ করার আহ্বান। জীবনের ভেতরে তাঁকে অনুভব করতে হলে ৪টি কথা মনে রাখতে হবে।
লোকদেখানো উদ্দেশ্যমুক্ত হয়ে শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা। বাহ্যিকভাবে দুজন মানুষ একই কাজ করলেও নিয়তের পার্থক্যের কারণে আল্লাহর কাছে তাঁদের মর্যাদা বদলে যায়।
ভ্লগিং সংস্কৃতির কারণে মানুষের ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য এখন আর প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ বা মানসিক প্রশান্তি নয়; বরং তা হয়ে উঠেছে কেবলই লাইক, ভিউ ও ভার্চ্যুয়াল জগতে নিজের আভিজাত্য জাহির করার মাধ্যম।
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
পার্থিব প্রতিযোগিতার এই যুগে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো নিজেকে জিজ্ঞেস করা—আমি কিসের পেছনে ছুটছি? মানুষের প্রশংসা, নাকি আল্লাহর সন্তুষ্টি?
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
যারা আন্তরিকভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে, তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গড়তে চায়, আল্লাহ তাদের বঞ্চিত করেন না, বরং হেদায়েতের পথ সহজ করে দেন।
নিজের পাপরাশি থেকে মুক্ত হতে আল্লাহ–তাআলার কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করা, এটা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত পছন্দের একটি আমল।
নেয়ামত কেবল ভোগের জন্য নয়; বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও রয়েছে। তা হলো শোকর বা কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা ছাড়া নেয়ামতের প্রকৃত অর্থ পূর্ণতা পায় না।
এর অর্থ এই নয় যে বৈজ্ঞানিক ভাষাকে ধর্মীয় ভাষা দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবে। বরং উভয়কে এমন একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যামূলক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করতে হবে।
কোরআন ও হাদিসে বারবার তাকওয়া অর্জনের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। অন্তরে আল্লাহভীতি জাগ্রত করার জন্য ১০ উপায় বিশেষভাবে কার্যকর।
মৃত্যু কোনো দূরবর্তী সম্ভাবনা নয়। এটি এমন এক বাস্তবতা, যা প্রতিনিয়ত আমাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ করা।
কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।
ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।
এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।