‘তাকওয়া’ কী এবং ‘মুত্তাকি’ অর্থ কী
অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।
অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।
মানুষের আত্মার প্রশান্তি ও হৃদয়ের সজীবতা শুধু তখনই সম্ভব, যখন সে তার প্রতিপালককে তাঁর নাম, গুণাবলি ও কার্যাবলির মাধ্যমে চিনতে পারে।
ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক বাস্তবতা কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই—সবক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয় এবং কিছু প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে চলতে হয়।
আয়াতটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তিতে এসেছে। এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টিশৈলী যারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারাই আল্লাহর মহিমা বুঝতে সক্ষম হন।
চরিত্রের দুর্বলতাই সম্পর্কের টানাপোড়েন ও নৈতিক অবক্ষয়ের মূল কারণ। আল্লাহভীতি, সত্যবাদিতা, বিনয়, সুন্দর ব্যবহার, ক্ষমাশীলতা, ধৈর্য ও আমানত রক্ষার মাধ্যমে উত্তম চরিত্র গঠন সম্ভব।
আধুনিক ‘মিনিমালিজম’ বিশ্বে জনপ্রিয় হলেও ইসলামের ‘জুহদ’, ‘কানাআত’ ও ‘ইসরাফ’ পরিহার এর চেয়ে গভীর। কুরআন-হাদিস ও সালাফগণের বাণীতে এর সারমর্ম ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এটি ভারসাম্যপূর্ণ সচেতন জীবনধারা শেখায়।
কোরআন ও হাদিসের আলোকে আল্লাহর ভালোবাসা লাভের তিনটি প্রধান নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সমাজে গ্রহণযোগ্যতা, দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্তি এবং পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়া। যাঁরা এই আলামতগুলো পান, তাঁরাই পরম করুণাময়ের প্রিয়ভাজন।
জীবনের প্রতিকূলতায় আল্লাহর ওপর ভরসা বাড়াতে সাহায্য করবে এই ১০টি কোরআনি আয়াত। প্রত্যেকটির উচ্চারণ, অর্থ এবং সূরা-আয়াত উল্লেখ করা হয়েছে। তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও ইমানের দৃঢ়তা লাভ করুন।
একজন মুমিনও আল্লাহর প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা নিয়ে জীবনযাপন করে। সে ভালো কাজ করার পরও ভয় পায়, যদি তাতে কোনো ত্রুটি থেকে যায়; আবার খারাপ কাজ করলে সে ভয় পায় আল্লাহর শাস্তির।
মসজিদ ইসলামের শাশ্বত সংস্কৃতির এক জীবন্ত দর্পণ। এক আধ্যাত্মিক মিলনমেলা, যেখানে প্রতিদিন পাঁচবার একই কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ায় মুমিনরা।
পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কোরআন ও হাদিস আমাদের শেখায়, মন যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন কিছু আমল তাকে জীবন্ত করে, দুশ্চিন্তা দূর করে এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনে।
আল্লাহর অনুগত হলে সব ধরনের মন্দ কাজ থেকে বাঁচা সহজ হয়। যেমন আল্লাহ-তাআলা ইউসুফ (আ.)-কে মিসরের আজিজের স্ত্রীর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেছিলেন।
রোজাদার ব্যক্তির কাজ হলো, কেবল বড় গুনাহ নয়, নিজেকে সব ধরনের গুনাহ থেকে দূরে রাখবেন। তাহলে তিনি আল্লাহর রহমত, করুণা ও ক্ষমা লাভ করবেন।
বান্দা ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করে, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সংযত রাখে। এর প্রতিদানও আল্লাহ নিজেই প্রদান করেন।
তিনি তো বান্দার জন্য এমন এক আশ্রয়দাতা, যাঁর কাছে শতবার কাঁদলেও তিনি বিরক্ত হন না। বরং তিনি তো সেই রব, যিনি না চাইলে অসন্তুষ্ট হন।
ভালোবাসা হলো তাঁর মাথা, আশা ও ভয় তাঁর দুই ডানা। মাথা ও দুটি ডানা যথাযথভাবে থাকলেই পাখি উড়তে পারে। মাথা কেটে ফেললে পাখি মারা যায়।
দাম্পত্যে তিক্ততা তৈরি হলেও সমাজ বা পরিবারের চাপে অনেকে ধুঁকে ধুঁকে জীবন কাটান। সাহাবি বারিরার সাহসী সিদ্ধান্ত আমাদের জানায়, মানুষের অন্তরকে বাধ্য করার যায় না।
মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি এই ‘দেওয়া-নেওয়ার’ ভারসাম্য জরুরি হয়, তবে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি কী হওয়া উচিত?
আল্লাহকে চেনার এই আদিম আগ্রহ থেকেই মানুষ যুগ যুগ ধরে প্রশ্ন করে আসছে, আল্লাহ কোথায় আছেন? তিনি কি আমাদের খুব কাছে, নাকি অনেক দূরে?