এবারে সরকারিভাবে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ২২
এবারে সরকারিভাবে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ২২ টাকা। অথচ হিমাগার গেটে বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১২ টাকায়।
এবারে সরকারিভাবে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ২২ টাকা। অথচ হিমাগার গেটে বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১২ টাকায়।
রাজশাহীর পবা উপজেলার দৌলতপুর এলাকায় হিমাগারে আলু সংরক্ষণের ভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে আলু ব্যবসায়ী ও কৃষকদের সঙ্গে হিমাগারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় দেড় বছর ধরে মজুত রাখা ৩০ হাজার মণ আলু পচে নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকা।
হিমাগারে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে সর্বোচ্চ ভাড়ার সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে, যা আগে ছিল ৬ টাকা ৭৫ পয়সা।
হিমাগার খাতের সংকট নিরসনে বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ ছাড়, আলু রপ্তানিতে ৩০ শতাংশ প্রণোদনা এবং ৬ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা তহবিলের দাবি জানিয়েছে বিসিএসএ।
আলুচাষি ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আলুর বাজারমূল্য কম থাকলেও হিমাগারে সংরক্ষণের ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এ ঘটনায় উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না তাঁরা।
হিমাগারের ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে রংপুরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন রংপুরের আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা সড়কে আলু ঢেলে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাত দিনের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে কৃষকেরা কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি পালন করবে।
রাজশাহী জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি গত বুধবার জেলার পবা উপজেলার তকিপুরে তাদের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত আলু কেনাবেচা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়।
কড়াইয়ে শর্ষের তেল গরম করে ধোঁয়া উঠলে আঁচ কমিয়ে শুকনা মরিচ, আস্ত রসুন, তেজপাতা ও পাঁচফোড়ন ফোড়ন দিন।
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বসতবাড়িতে সংরক্ষণ করা আলু সুতলি পোকার আক্রমণে নষ্ট হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই নষ্ট আলু রাস্তার ধারে, খাল-বিলে ফেলে দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে রপ্তানিতে একক পণ্য ও একক বাজারনির্ভরতা কাটিয়ে ওঠাটা জরুরি।
দেশের শীর্ষ আলু উৎপাদনকারী অঞ্চল রংপুর হলেও রপ্তানিতে পিছিয়ে রয়েছে। চুক্তিভিত্তিক চাষের অভাব, উপযুক্ত জাতের ঘাটতি, সংরক্ষণ সংকট ও কম দামের কারণে কৃষকের আগ্রহ কমছে—সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাড়ছে না রপ্তানি।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বয়ংক্রিয় আলু বাছাইকরণ যন্ত্র নিয়ে কর্মশালায় দেখানো হয়েছে ঘণ্টায় ৫০০ কেজি আলু বাছাইয়ের ক্ষমতা, কেজিপ্রতি খরচ মাত্র ১২ পয়সা। এই প্রযুক্তি আলু রপ্তানি ও কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করবে। গবেষকরা জানান, তৃতীয় সংস্করণে গতি ও নির্ভুলতা বেড়েছে।
রাজশাহীতে আলুর বস্তার তীব্র সংকটে বিপাকে চাষি ও ব্যবসায়ীরা। বস্তার দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়ে যাওয়ায় আলুর দাম কেজিতে কমেছে, ক্রেতাও মিলছে না—ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকেরা।
আজ বুধবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্দার গ্রিগরিয়েভিচ খোজিন কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে উভয়ের মধ্যে এ আলোচনা হয়।
ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক কৃষক প্রতিবছর আলু বিক্রি করে লাভের টাকায় পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকাটা করেন। এবার তা সম্ভব হচ্ছে না।
উত্তরাঞ্চলের আলুচাষিদের জন্য চলতি মৌসুম যেন একের পর এক দুঃসংবাদ নিয়ে হাজির হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাজারে আলুর দাম তলানিতে, তার ওপর সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুরসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় আলুখেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
উৎপাদন খরচের অর্ধেক দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন রংপুরের তারাগঞ্জের কৃষকেরা। সংরক্ষণের সংকট ও বাজারদরের ধসের কারণে লোকসানের বোঝায় দিশাহারা চাষিরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ও সরকারি ক্রয়ের দাবি জানিয়েছেন।
আলু চাষ করে গত মৌসুমে লোকসান গুনেছিলেন চন্দনাইশের কৃষক মো. হারুন। তাই এবার ঝুঁকি কমাতে জমি কমিয়েছেন। ২০ শতক জমিতে আলু লাগিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০ কেজি আলু তুলেছেন মাঠ থেকে। কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে দেখেছেন, হিসাব মিলছে না।
গত বছর আলু চাষ করে বড় লোকসান গুনেছেন মাসুম মিয়া। ১০ একর জমিতে আলু চাষ করে লোকসান হয়েছে ১৮ লাখ টাকা।
আলুর সঙ্গে একটি আপেল রেখে দিলে নাকি আলুতে অঙ্কুর ওঠে না। কিন্তু সত্যিই কি এ পদ্ধতি কাজ করে? বিজ্ঞান কী বলে আর বাস্তবে কী হয়, সেটাই দেখা যাক।
শীতকালে সেদ্ধ বা পোড়া মিষ্টি আলুর ঘ্রাণ একবার নাকে গেলে ভুলে যাওয়া কঠিন। জানেন কি, এই মিষ্টি আলুর ভেতরে লুকিয়ে আছে চমকপ্রদ কিছু স্বাস্থ্যগুণ!
লোকসানে পড়ে, কেউবা অন্য ফসল চাষের দিকে ঝুঁকছেন, কেউ ভিন্ন পেশায় নাম লেখাচ্ছেন।