ঋণের জন্য কি আইএমএফের পেছনে দৌড়াব, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দুই বছরের কথা বলে আসছি। এর মধ্যে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। কত প্রবৃদ্ধি হলো এ ইতিহাস বলে লাভ নেই। সাধারণ মানুষের কী লাভ হলো সেটিই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দুই বছরের কথা বলে আসছি। এর মধ্যে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। কত প্রবৃদ্ধি হলো এ ইতিহাস বলে লাভ নেই। সাধারণ মানুষের কী লাভ হলো সেটিই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’
সব মিলিয়ে অর্থনীতি আবারও কঠিন পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে। বাংলাদেশ এমনিতে কঠিন পরীক্ষার মধ্যে আছে কোভিডের পর থেকেই।
চলমান ঋণ কর্মসূচি থেকে আগামী জুনে ১৩০ কোটি ডলারের কিস্তি মিলছে না। কর্মসূচিটির বাইরে জরুরি ভিত্তিতে ২০০ কোটি ডলার পেতে আইএমএফকে চিঠি দেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে ঋণ কর্মসূচি আওয়ামী লীগের সময়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে অনেক শর্ত আছে, এর কিছু শর্ত বিএনপি সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য না–ও হতে পারে।
বাংলাদেশকে সহায়তা করার ব্যাপারে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এডিবি—সবার দৃষ্টিভঙ্গিই ইতিবাচক। আমরা একটা প্যাকেজ আশা করছি এবং প্যাকেজের আকার কী হবে, সে জন্য অপেক্ষা করছি।’
আইএমএফের সঙ্গে ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বৈঠক হয়নি, বৈঠক হয়েছে গতকাল শুক্রবার।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন করেছে আইএমএফ। এতে সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বক্তব্য দেন।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে। জ্বালানিসংকট প্রকট হচ্ছে। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পার বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির মতো সংস্থাগুলো।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে গতকাল সোমবার শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। আইএমএফসহ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তা আশা করছে বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ডেপুটি গভর্নর কবির আহাম্মদকে এ নিয়ে লিখিত জবাব দিতে বলেছেন।
আজ মঙ্গলবার সফররত আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে নতুন সরকার। আগামী জুনে ঋণে ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
জুনে আইএমএফের কাছে ঋণের কিস্তি চায় বাংলাদেশ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠক শেষে ঢাকায় আইএমএফের একটি মিশন আসবে।
পাঁচ কিস্তিতে আইএমএফ থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার। বাকি আছে ১৮৬ কোটি ডলার। গত ডিসেম্বরে ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ পাওয়ার কথা থাকলেও তা পাওয়া যায়নি।
আইএমএফ বলেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ।
আইএমএফের নিজস্ব গবেষণার সূত্রে জর্জিয়েভা বলেন, উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে আগামী কয়েক বছরে প্রায় ৬০ শতাংশ চাকরিতে এআইয়ের প্রভাব পড়বে।
আজ সোমবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।