গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ জানিয়েছেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।
তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ জানিয়েছেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছা সরকারের নেই, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে জানালেন তথ্যমন্ত্রী।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার চেয়ে অপতথ্য ও বিকৃত তথ্যের বিস্তার মোকাবিলা করা আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র বলছে, আইনটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও এনটিএমসি।
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে বিএনপিকে নিয়ে; আর রাজনীতিবিদদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপতথ্যের শিকার হয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ডিডব্লিউ গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ, আস্থা পুনর্গঠন এবং এআই প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করেন।
বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন এখন আলোচিত বিষয়। এ নিয়ে অপতথ্যও ছড়াচ্ছে বেশি। দেশের তথ্য যাচাইকারী প্ল্যাটফর্মগুলো গত এক সপ্তাহে যে শতাধিক অপতথ্য শনাক্ত করেছে, তার মধ্যে এমন ঘটনাই বেশি।
সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করে মেটাকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করার উদ্যোগ নিচ্ছে।
ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের সহজলভ্যতায় বাংলাদেশে গত এক দশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ডিজিটাল দুনিয়া এখন শুধু মতপ্রকাশের ক্ষেত্রই নয়, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, জনমত নির্মাণ, বাণিজ্যযুদ্ধ—এমনকি চরিত্রহননের এক নতুন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই যুদ্ধের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো ‘বট বাহিনী’ বা ‘ট্রল আর্মি’ বা ‘বট ফোর্স’।
বাংলাদেশে ভুয়া তথ্য বাড়ছে। এর জন্য মিডিয়ার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মতিউর রহমান চৌধুরী উল্লেখ করেছেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অপতথ্য রোধ করে পরিচ্ছন্ন তথ্য নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ফেসবুকে ছড়ানো অপতথ্য তদন্তের অগ্রগতি জানতে উপাচার্য কার্যালয়ে গিয়ে আশ্বাস পেয়েছে।
জাহেদ উর রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র, গণমাধ্যম তথ্য, অর্থনৈতিক প্রকল্প ও নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।
ইন্টারনেট বন্ধ বা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ অনেক সময় পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক অপতথ্য ছড়ানোর একটি বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সংবাদমাধ্যমের আদলে তৈরি ভুয়া ফটোকার্ড। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব গ্রাফিক কার্ডে পরিচিত সংবাদমাধ্যমগুলোর লোগো, ফন্ট, রং ও নকশা হুবহু নকল করা হচ্ছে, যাতে বানোয়াট তথ্যও সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।
তথ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য রোধ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তেমন কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি। বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অপতথ্য ঠেকাতে প্রস্তুতি দরকার।
চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করার আগে থামা, প্রশ্ন করা—কার লাভ হচ্ছে এই গল্পে বা বয়ানে এবং প্রমাণকে আবেগের ওপরে স্থান দেওয়াই এখন গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান হাতিয়ার।
প্রযুক্তিনির্ভর গুজব ও অপতথ্য যেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কোনো রকম বাধাগ্রস্ত না করতে পারে, তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।
ফেসবুকসহ অনলাইনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অন্য দলের নারী এবং সার্বিকভাবে নারীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ছড়াচ্ছেন, বাজে মন্তব্য করছেন।
সোশ্যাল মিডিয়া একটু স্ক্রল করলেই অনেক ফটোকার্ড চোখে পড়ছে ইদানীং। বিশেষ করে এই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ফটোকার্ড নিয়ে চরম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কে কী বলেছে, সেটা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। তবে আমি যেটা দেখতে পারছি, সরাসরি মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর হলো ‘আউট অব কনটেক্সট’ বা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রচার করা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের বক্তব্য খণ্ডিত করে ধর্মীয় আঙ্গিকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপনের ঘটনা ঘটছে।
বাংলাদেশকে নিয়ে ৭৩ ভারতীয় গণমাধ্যমের ১৪০ প্রতিবেদনে অপতথ্যের প্রমাণ