স্টারলিংকের সহায়তায় স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা চালু করছে বাংলালিংক
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্টারলিংক মোবাইলের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টু মোবাইল সেবা চালু করতে যাচ্ছে বাংলালিংক।
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্টারলিংক মোবাইলের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টু মোবাইল সেবা চালু করতে যাচ্ছে বাংলালিংক।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টারলিংকসহ অন্যান্য কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট সেবার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইউরোপ নিজস্ব স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক ‘আইরিস-২’ গড়ে তুলছে।
স্টারলিংকের 'আনফিল্টারড ডেটা' সুবিধা নিয়ে সরকারের ঘোষণার পর, বাংলাদেশের গ্রাহকদের ইন্টারনেট ব্যবহারে কোনো পরিবর্তন আসবে না। এই সুবিধা মূলত আন্তর্জাতিক ট্রাফিকের জন্য এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক ডেটা ট্রানজিট হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে।
স্টারলিংকের আদলে নিজেদের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘লিও’ চালুর সম্ভাব্য সময় সর্ম্পকে জানিয়েছেন অ্যামাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অ্যান্ডি জ্যাসি।
স্টারলিংকের আদলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মহাকাশ প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিন।
ইন্টারনেট সেবা পরিচালনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ‘স্টারলিংক ফোন’ আনতে পারে স্টারলিংক।
টেসলার চালকবিহীন ট্যাক্সি সাইবারক্যাবে স্যাটেলাইটভিত্তিক স্টারলিংক ইন্টারনেট সংযোগ যুক্ত করা হয়েছে; উদ্যোগটি নিয়ে সম্ভাব্য কারণ ও টেসলা-স্পেসএক্সের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা চলছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্টারলিংক, এক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্পদকে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করার হুমকি দিয়েছে ইরান।
সুন্দরবনের গভীরে স্টারলিংক সেবা ব্যবহারের ফলে পর্যটক, রিসোর্ট পরিচালনা, দুর্যোগকালীন যোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সুবিধার সম্ভাবনার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে উচ্চ খরচ এখনো বড় বাধা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানি স্টারলিংক ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা একজন প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।
বিটিআরসি-র অনুমোদনে 'ডাইরেক্ট টু সেল' প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন টাওয়ার ছাড়াই স্যাটেলাইটের সাহায্যে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।