প্রাগাধুনিক বাংলার পরিবেশনায় সুফিবাদ
ষোলো শতকের লাইলি-মজনুর পরিবেশনাশৈলী পনেরো শতকের শাহ মুহম্মদ সগিরের ইউসুফ-জোলেখার মতো ছিল বলেই মনে হয়।
ষোলো শতকের লাইলি-মজনুর পরিবেশনাশৈলী পনেরো শতকের শাহ মুহম্মদ সগিরের ইউসুফ-জোলেখার মতো ছিল বলেই মনে হয়।
সুলতানের মতো সুফির অন্তরে স্বর্ণের বাসনা নেই। স্বর্ণ যদি কোথাও থেকে থাকে তবে সেটি তার প্রকৃত স্থান তথা কাদার মধ্যেই আছে।
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলার মুসলমান সমাজের সাংস্কৃতিক অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ১৯২০ সালে মোসলেম ভারত পত্রিকায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে লেখেন ‘ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ (আবির্ভাব)’ শীর্ষক কবিতা।
বাংলা ভাষায় পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদক হিসেবে গিরিশচন্দ্র সেনের অবদান কেবল অনুবাদেই সীমাবদ্ধ ছিল না; হাদিস, সিরাত, ইসলামের ইতিহাস, সুফিবাদ ও ফারসি সাহিত্যের বহু গ্রন্থ অনুবাদ-সংকলন ও মৌলিক রচনার মধ্য দিয়ে তিনি উনিশ শতকের বাংলা জ্ঞানচর্চায় স্বতন্ত্র অধ্যায় তৈরি করেন।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশে মাজার-খানকায় হামলাকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত সুন্নি পীর মাশায়েখ ফোরামের সভাপতি আল্লামা কাযী মুহাম্মদ মুঈন উদ্দিন আশরাফী।
অষ্টম শতাব্দীর বসরায় জন্মগ্রহণকারী হযরত রাবেয়া বসরি দারিদ্র্য ও দাসত্ব সত্ত্বেও খোদাপ্রেমের ‘হুব্ব’-ভিত্তিক দর্শন প্রচার করেন। তাঁর জীবন সুফিবাদে প্রেমের নতুন মাত্রা যোগ করে। এই প্রতিবেদনে তাঁর জীবন ও শিক্ষার বিবরণ পাওয়া যাবে।