
সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইসলামের ৫ মূলনীতি
প্রকৃত নিরাপত্তা কেবল তখনই সম্ভব যখন সমাজে ন্যায়বিচার বা আদল কায়েম থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অর্থাৎ জুলুম বা অবিচার ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে।

প্রকৃত নিরাপত্তা কেবল তখনই সম্ভব যখন সমাজে ন্যায়বিচার বা আদল কায়েম থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অর্থাৎ জুলুম বা অবিচার ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ড নামে বড় একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

রোজার মূল উদ্দেশ্য শুধু না খেয়ে থাকা নয়; এর লক্ষ্য মানুষের ভেতরে আল্লাহভীতি, আত্মসংযম ও নৈতিক শক্তি গড়ে তোলা।

‘মিড–ডে মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই কর্মসূচিতে যেসব অনিয়ম দেখা গেছে, তার প্রতিকারের জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। তা ছাড়া সরকার মেয়েদের জন্য বিনা মূল্যে স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ দিতে চায়। কিন্তু এখানে খেয়াল রাখা দরকার, কেবল অর্থসংকট নয়, সামাজিক নিরাপত্তার অভাবেও অনেক মেয়েশিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করা, না জেনে শেয়ার দেওয়া কিংবা কাউকে সাইবার বুলিং করা আমরা খুব সাধারণ ভাবলেও ইসলামের দৃষ্টিতে এগুলো ভয়াবহ অপরাধ।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করতে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজন করা হয় বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, মানসম্মত শিক্ষা-স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, বিনিয়োগ, জ্বালানিনিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সংস্কারকে কেন্দ্র করে উন্নয়নের ১০ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটে জনপ্রশাসন, ঋণের সুদ পরিশোধ, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি নাগরিক অধিকারের একটি ন্যূনতম স্বীকৃতি।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীবিদ্বেষী প্রচারণা রোধে সচেতনতা, ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরি, নারীর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এআই যেমন নতুন সম্ভাবনা ও সুযোগের দুয়ার খুলে দিয়েছে, ঠিক তেমনি তৈরি করেছে নানামুখী সংকট ও সামাজিক ঝুঁকি।