সত্যজিৎ রায়ের প্রয়াণ দিবস আজ
সুকুমার ও উপেন্দ্রকিশোরের ধারাবাহিকতায় সত্যজিৎ রায়ের শিল্পযাত্রা ও তাঁর অনন্য সৃষ্টির ইতিহাস আজকের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ করা হোক ছবির মাধ্যমে।
সুকুমার ও উপেন্দ্রকিশোরের ধারাবাহিকতায় সত্যজিৎ রায়ের শিল্পযাত্রা ও তাঁর অনন্য সৃষ্টির ইতিহাস আজকের প্রয়াণ দিবসে স্মরণ করা হোক ছবির মাধ্যমে।
সত্যজিৎ রায় বহুমুখী প্রতিভার এক বিস্ময়কর প্রতিমূর্তি। তিনি শুধু একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাই নন; ছিলেন একাধারে গল্পকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, অলংকরণশিল্পী, সম্পাদক ও প্রকাশক।
৭৬ বছর আগে, ১৯৫০ সালের ২৬ আগস্ট জাপানের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল একটি সাদাকালো চলচ্চিত্র। মুক্তির সময় হয়তো কেউ ভাবেনি, ছবিটি শুধু জাপানি সিনেমার ইতিহাসই বদলে দেবে না; বরং বিশ্ব চলচ্চিত্রে সত্য, স্মৃতি এবং মানব প্রকৃতিকে দেখার ধরনও আমূল পাল্টে দেবে। সেই চলচ্চিত্রটির নাম ‘রাশোমন’।
গল্প বলার শক্তি সত্যজিৎকে নাড়া দেয়। ১৯৪৭ সালে তিনি চিদানন্দ দাসগুপ্তদের সঙ্গে মিলে কলকাতা ফিল্ম সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন, যা তাঁকে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সঙ্গে আরও পরিচিত করে।
শুরুটা সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে, ছোট একটা চরিত্রে। কিন্তু সেখানেও ঠিকই নিজের ছাপ রেখেছিলেন। পরে শুরু হয় হিন্দি সিনেমার যাত্রা, বলিউডের মহাতারকার সঙ্গে প্রেম, অতঃপর বিয়ে।