আবুল মনসুর আহমদের রাষ্ট্র ও ধর্ম বিষয়ক চিন্তা আজও প্রাসঙ্গিক
আলোচনায় আবুল মনসুর আহমদের রাষ্ট্র, ধর্ম ও গণতন্ত্র বিষয়ক চিন্তা আজও সমসাময়িক প্রাসঙ্গিকতা বজায় রেখেছে বলে উঠে আসে।
আলোচনায় আবুল মনসুর আহমদের রাষ্ট্র, ধর্ম ও গণতন্ত্র বিষয়ক চিন্তা আজও সমসাময়িক প্রাসঙ্গিকতা বজায় রেখেছে বলে উঠে আসে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলা ও বাধা দেওয়ার ঘটনা বাড়ছে। এর পেছনে ধর্ম রক্ষার অজুহাত নাকি আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্য কাজ করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাষ্ট্র কেন এসব ঘটনায় বারবার পিছু হটে, সেই বিষয়ে বিশ্লেষণ।
‘আমাদের মূল যুদ্ধ হচ্ছে অশুভর বিরুদ্ধে শুভর যুদ্ধ, মানবতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে মানবতার যুদ্ধ’—বরিশালে জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর বক্তব্য
এই প্রবন্ধে গালিগালাজকে নৈতিক বিচ্যুতি হিসেবে নয়; বরং ভাষা, ক্ষমতা ও সংস্কৃতির আন্তসম্পর্কের একটি জটিল সাংস্কৃতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। মিশেল ফুকোর জ্ঞান-ক্ষমতা তত্ত্ব আমাদের দেখায় কীভাবে রাষ্ট্র, ধর্ম ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ভাষার বৈধতা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ‘অশ্লীলতা’ নির্মাণ করে।
স্বাধীন ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার রূপকল্প ও দৃষ্টিভঙ্গিটি বোঝা যায় ভারতের গণপরিষদে প্রদত্ত সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের এই কথায়: ‘ভারত রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের সঙ্গে নিজেকে চিহ্নিত করবে না বা কোনো ধর্ম দ্বারা পরিচালিত হবে না। আমরা বিশ্বাস করি, কোনো ধর্মকে বিশেষ মর্যাদা বা অনন্য স্বীকৃতি দেওয়া উচিত নয় এবং কোনো ধর্মকে জাতীয় জীবনে বা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়াও অনুচিত, কারণ তা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতিমালার লঙ্ঘন এবং ধর্ম ও সরকারের সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী।’
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এই নীতিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ গড়তে চায়। তেজগাঁওয়ে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি ধর্মনিরপেক্ষতা ও নাগরিক অধিকারের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। গৌরনদী খ্রিষ্টান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের আয়োজনে হয় এ অনুষ্ঠান।