রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, দায়িত্ব সামলাবেন স্পিকার
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য বিবেচনায় রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে জানা গেছে।
স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি পদে কারা, বিএনপিতে আলোচনা
অপপ্রচার রুখে দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোট কার্যক্রম শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করেন। একই ব্যক্তি দুইবারের বেশি রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেন না। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানত তিনটি কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হতে পারে। এগুলো হলো—মেয়
অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। এদিন দুপুর নাগাদ পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা। এক সূত্র জানিয়েছে, মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সিটি স্ক্যান
শুভ সকাল। আজ ২৪ জুলাই, শুক্রবার। গতকাল বৃহস্পতিবার মুক্তকণ্ঠের অনেক আলোচিত সংবাদ হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। তাই আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্র গ্রহণ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল পাঁচটায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়ি
এই সংবিধানের অনেকগুলো ধারা ও অধ্যায় বারবার পরিবর্তন করে একে একটা ‘ছেঁড়া পাতায়’ পরিণত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
তারেক রহমান বলেন, ‘যে বিশ্বাস শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধারণ করতেন, যে বিশ্বাস দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ধারণ করেছেন—বাংলাদেশই আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা।’