সামরিক সম্পর্ক জোরদারে একমত মিয়ানমার ও ভিয়েতনাম
মিন অং হ্লাইংয়ের সফরে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদারে একমত ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার।
মিন অং হ্লাইংয়ের সফরে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদারে একমত ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার।
মিয়ানমারের সামরিক শাসক মিন অং হ্লাইংয়ের লাওস সফরের পর দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জটিলতা নিয়ে বিশ্লেষণ।
গত ৩০ মে মিয়ানমারের নতুন ‘প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে জ্যোষ্ঠ জেনারেল মিন অং হ্লাইং ভারত সফরে গিয়ে একেবারে নিজের চাওয়ামতোই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছিলেন।
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং পাঁচ দিনের সফরে ভারতে গেছেন। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের আলোচনায় গুরুত্ব পায় ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার মতো বিষয়গুলো।
মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং শুক্রবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সামরিক অভ্যুত্থানের পর নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতা অব্যাহত রাখছেন। রাজধানী নেপিডোতে কড়া নিরাপত্তা থাকায় শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং পার্লামেন্টে ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। গত সোমবার তিনি সেনাপ্রধান পদ থেকে পদত্যাগ করেন। সাম্প্রতিক নির্বাচন সেনাসমর্থিত দলের জয়লাভ করলেও বিরোধী দলগুলো অংশগ্রহণ করেনি।
মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইংকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বিতর্কিত নির্বাচনের পর পার্লামেন্টে তাঁর নাম প্রস্তাবিত হয়। অভ্যুত্থানের পর গৃহযুদ্ধ চলমান থাকলেও তাঁর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন পার্লামেন্ট গঠিত হলে সামরিক ইউনিফর্ম খুলে মিন অং হ্লাইং নিজেই প্রেসিডেন্ট হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিয়ানমারে প্রায় পাঁচ বছর ধরে ক্ষমতা দখল করে রেখেছেন জান্তা বাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লাইং।