আন্তর্জাতিক ও এশিয়া–প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা
তৃতীয় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (আইওএআই) ও এশিয়া–প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের (এপিওএআই) জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয়েছে।
তৃতীয় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (আইওএআই) ও এশিয়া–প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের (এপিওএআই) জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয়েছে।
চীনে দ্রুত প্রসারিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলছে।
কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় তৃতীয় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (আইওএআই) ২০২৬ শুরু হয়েছে। ২ থেকে ৮ আগস্ট চলা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে ৪০০ শিক্ষার্থীর দলে থাকা এআই দল।
বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রথাগত চাকরি যেমন ডেটা এন্ট্রি ও কাস্টমার সার্ভিসে ঝুঁকি তৈরি করছে। অন্যদিকে ডেটা সায়েন্স ও সাইবার নিরাপত্তার মতো নতুন পেশার সৃষ্টি হচ্ছে।
দেশের বাজারে লেনোভোর তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির নতুন গেমিং ল্যাপটপ বাজারে এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি।
পডকাস্ট ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পডকাস্টের প্রায় ৩৯ শতাংশ এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হচ্ছে। বিশ্লেষকরা এসব অনুষ্ঠানকে ‘পডস্লপ’ বলে অভিহিত করছেন।
এআইয়ের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এই সময়ে সবচেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে বিশ্বাস, জবাবদিহি ও সুশাসনের প্রশ্ন। প্রযুক্তির সুবিধা নিশ্চিত করেই মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার পথ খুঁজতে হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বড় প্রতিশ্রুতিগুলোর একটি হলো দক্ষতা বৃদ্ধি, যার অর্থ অনেক ক্ষেত্রে কর্মী ছাঁটাই।
ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলোতে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এই তাপ কমাতে ব্যবহৃত কুলিং সিস্টেম পরিচালনায় লাখ লাখ লিটার বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়।
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা আজ এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতি, তথ্যপ্রযুক্তির সহজলভ্যতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার
বাংলাদেশে এআই নিয়ে আগ্রহ ও কাজের পরিসর বাড়লেও প্রস্তুতি এখনো অসম।
এআই কখনোই চিকিৎসকের জায়গা নেবে না। বরং একটি স্বচ্ছ, ব্যাখ্যাযোগ্য এবং আলোচনাযোগ্য এআই হবে আগামী দিনের চিকিৎসকের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল সহকারী। আমাদের গবেষণা সেই বিশ্বাসের সেতু নির্মাণের চেষ্টাই করছে।