
এ নিয়ে টানা আটবার বিধায়ক নির্বাচিত হলেন ডি কে শিবকুমার।
২০২০ সালে কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হওয়া শিবকুমার ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলটিকে বড় জয়ের নেতৃত্ব দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০২০ সালে কর্ণাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হওয়া শিবকুমার ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলটিকে বড় জয়ের নেতৃত্ব দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিধানসভা নিয়ে যখন এমন নাটকীয় ঘটনা ঘটছে, এরই মধ্যে রাজ্যের সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে আজ সোমবার ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন।

তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকের ৩০ বিধায়ক থালাপতি বিজয়ের নতুন সরকারকে সমর্থন করলেন, যা দলের ভাঙন ঘটিয়েছে। এতে বিজয়ের আস্থা ভোট সহজ হয়েছে। অন্যদিকে, কেরালায় কংগ্রেস এখনো মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি।

ভারতে বিজেপির উত্থানের সঙ্গে মুসলিম বিধায়কদের সংখ্যা কমছে। ২০১৩ সালে ৩৩৯ থেকে এখন ২৫৫ জনে নেমেছে। বিভিন্ন রাজ্যে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিত্ব অনেক কম।

মাত্র ২৯ বছর বয়সে অভিনেতা বিজয়ের দল টিভিকে-র সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক এবং মন্ত্রী হয়েছেন এস কীর্তনা। শিবকাশী থেকে নির্বাচিত তিনি পাঁচ ভাষায় পারদর্শী এবং রাজনৈতিক কৌশলবিদ হিসেবে অভিজ্ঞ। সাত দশক পর শিবকাশীতে প্রথম নারী বিধায়ক হিসেবে এআইএডিএমকের সাবেক মন্ত্রীকে হারিয়েছেন তিনি।

তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয়ের টিভিকে নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য ১০ আসনের ঘাটতি। রাজ্যপালের শর্ত পূরণে জোটসঙ্গী খুঁজছেন বিজয়, বিধায়কদের রেখেছেন রিসোর্টে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ না করলে রাষ্ট্রপতি শাসনের আশঙ্কা।

গতকাল সোমবার রাজ্যে বিজেপির জয়ের খবর আসার পর কালীঘাটে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে হামলা চালান একদল বিজেপি সমর্থক।

এবার বাদ দেওয়া হয়েছে চারজন মন্ত্রীকে। তাঁরা হলেন মনোজ তেওয়ারি, বিপ্লব রায়, জোসনা মান্ডি ও তাজমুল হোসেন।

অভিযোগপত্রে শাহিদ উল্লেখ করেছেন, ছবির প্রযোজনার কাজে বিনিয়োগের জন্য তিনি সোহম চক্রবর্তী ও অর্ঘ্য চট্টোপাধ্যায়ের হাতে অর্থ তুলে দেন।

ভারতের মণিপুর রাজ্যের ইউনাইটেড কুকি লিবারেশন আর্মি নামের এক জঙ্গিগোষ্ঠী উপজাতি সমাজের তিনজন বিধায়ককে (এমএলএ) সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে আবার তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে।