আজ ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ–ঘাটতি হতে পারে: বিদ্যুৎ বিভাগ
গতকাল বুধবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট।
গতকাল বুধবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট।
তিন সপ্তাহ ধরে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার গড়ে দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হয়েছে।
চাহিদার তুলনায় ৮৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে খুলনা মহানগরী ও জেলাজুড়ে তীব্র লোডশেডিং চলছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পাম্পে দীর্ঘ লাইন কৃত্রিম সংকটের ফল এবং দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। অতিরিক্ত ক্রয় ও মজুত রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। বৈশ্বিক সংকট সত্ত্বেও দাম বাড়ায়নি এবং যথেষ্ট সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।
জ্বালানি সংকট ও কারিগরি ত্রুটির কারণে সৃষ্ট লোডশেডিং মোকাবিলায় ঢাকার সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টন করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
লোডশেডিং মানেই গ্রাম
গত বছরের একই সময়ের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
জাতীয় সংসদে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে সরকারের অবস্থান জানিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। জ্বালানি সংকট, গ্যাস ঘাটতি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। সংসদে জ্বালানি সরবরাহ ও শব্দচয়ন নিয়েও বিতর্ক হয়।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, দেশে এখন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের ঘাটতি নেই।
টাঙ্গাইলে ৩৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ২২৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও শিল্পোদ্যোক্তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ায় চট্টগ্রামে লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা। এখন দিনে গড়ে আড়াই থেকে তিন শ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুতের পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, তা বলতে পারছেন না কর্মকর্তারা।
গ্যাস-বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডিজেল ও ফার্নেস তেলের ব্যবহার বেড়েছে। আগস্টের প্রথম ১৫ দিনে তেল বিপণন কোম্পানি ও বিপিসির বিক্রির হিসাব বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।