
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে চিরচেনা রাজনৈতিক দ্বিচারিতা
ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা সব সময়ই স্বৈরতন্ত্রের জন্ম দিয়েছে। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে এই দর্শন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ধারণ করা হয়েছিল।

ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা সব সময়ই স্বৈরতন্ত্রের জন্ম দিয়েছে। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে এই দর্শন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ধারণ করা হয়েছিল।

বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্তি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলে মনে করেন আইনজীবী শিশির মনির।

পুলিশ সপ্তাহ–২০২৬-এর কল্যাণ প্যারেডে সশস্ত্র বাহিনী ও বিচার বিভাগের মতো স্বতন্ত্র পে–স্কেলসহ ভবন, তদন্ত বরাদ্দ, ওভারটাইম ভাতা, হাসপাতাল উন্নয়ন ও সন্তানদের পৃথক স্কুলের দাবি তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিভিন্ন দাবি বিবেচনার আশ্বাস দেন। এবার পুলিশ পদক প্রদানও স্থগিত হয়েছে আপত্তির কারণে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠা–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ রহিত করা হলেও এ বিষয়ে সংসদে নতুন বিল আনা হবে।

বিচার বিভাগ সংস্কারে বিএনপির অতীতের দাবি এবং সাম্প্রতিক অবস্থানের মধ্যে অসংগতি দেখা দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট–সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন আলোচনা জাগিয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যাবে না, সংসদে আইন প্রণয়নের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জরুরি। অধ্যাদেশের অভাবে সরকারের অঙ্গীকার প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এটি শাহদীন মালিকের মতামত।

৩১ দফা ও ইশতেহারে বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছে; কিন্তু বাতিল করেছে দুই অধ্যাদেশ।

জাতীয় সংসদে অন্তর্বর্তী সরকারের বিচার বিভাগ সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ বাতিলের বিল উত্থাপিত হয়েছে। একই দিনে নির্বাচন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সাতটি বিল পাস হয়। বিরোধী দলের আপত্তা এবং বিল উত্থাপনে কিছু তালগোলও ঘটেছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, বিএনপি সরকার বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও গুম প্রতিরোধ নিয়ে পেছনে হাঁটছে। ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু গ্রহণের প্রশংসা করলেও অন্যান্য অধ্যাদেশে দুর্বলতা দেখে সমালোচনা করেছেন। টিআইবি চারটি রাখা, ছয়টি সংশোধন ও দুটি বাতিলের সুপারিশ করেছে।

নাগরিক কোয়ালিশন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পৃথককরণ সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশের প্রতিবাদে সরকারের প্রতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, এটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও জনগণের অভিপ্রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিবৃতিতে জাতীয় ঐকমত্যের কথা উল্লেখ করে সংস্কারগুলো রক্ষার দাবি করা হয়েছে।

‘ন্যায়বিচারের ইমাম’ হিসেবে পরিচিত এই মহান ব্যক্তি প্রায় পঁচাত্তর বছর বিচারকের আসনে আসীন ছিলেন। তাঁর বিচারকক্ষের পরিবেশ ছিল ইনসাফে পরিপূর্ণ।

এ কে আজাদ বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে ঠিক না করতে পারলে, সমালোচনা করতে না পরলে ‘ইথিক্যাল জার্নালিজম’ করা সম্ভব নয়।