বন্য প্রাণী রক্ষায় ব্যর্থতা কাম্য নয়
প্রকাশ্যে এ ধরনের অমানবিকতা যারা দেখাতে পারে, তারা যে দেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের ন্যূনতম তোয়াক্কা করে না, তা সুস্পষ্ট।
প্রকাশ্যে এ ধরনের অমানবিকতা যারা দেখাতে পারে, তারা যে দেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের ন্যূনতম তোয়াক্কা করে না, তা সুস্পষ্ট।
দেশের কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনের বাইরে ধরা কিছু বন্য প্রাণীকে নাটকীয়ভাবে সুন্দরবনে অবমুক্ত করেছে।
রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে ৪২টি দেশীয় বন্য প্রাণী উদ্ধার করেছে বন অধিদপ্তর।
এবারের সফরে শুটিং শুরুর আগে ঘুরতে গিয়েছিলেন খাগড়াছড়ি। মাটিরাঙ্গার পিটাছড়ায় গিয়ে দেখে এসেছেন বন ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ উদ্যোগ।
অস্ট্রেলিয়ায় বার্ড ফ্লুর প্রকোপে সামুদ্রিক পাখির গণমৃত্যু এবং বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তির ঝুঁকি বাড়ছে; পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ প্রকল্প ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গহিন বনে কচুর মুখি চাষের জন্য যেভাবে মাইলের পর মাইল বন পুড়িয়ে ন্যাড়া করা হচ্ছে, তা কেবল উদ্বেগজনকই নয়; পরিবেশের ওপর এক অপূরণীয় আঘাত।
নিহত সুনীল সাঁওতালের সাত ও পাঁচ বছর বয়সী দুটি মেয়ে রয়েছে। তিনিই সেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন।
২০২২ সালের নভেম্বরে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেসের একটি গবেষণায় বাংলাদেশের ১৩টি বন্য প্রাণী বাজার জরিপ করে ৪২১ জন ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করা হয়, যাঁরা বন্য প্রাণী বিক্রির সঙ্গে জড়িত। মাঠপর্যায়ের তথ্য এবং বন বিভাগের বিভিন্ন সূত্র বলছে, দেশে একাধিক সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র সক্রিয়।
হাতিরঝিলে বিদেশি আগ্রাসী কচ্ছপ রেড ইয়ারড স্লাইডারের উপস্থিতি দেশীয় জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাইটিসের অনুমতি যাচাই নিয়ে জটে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে জাতীয় চিড়িয়াখানার চার চিতা বাঘ আর আসেনি।
রাজবাড়ীর পাংশায় হাতের ক্ষতের যন্ত্রণায় একটি আহত হনুমান নিজেই একটি বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে প্রাণিসম্পদ ও বন বিভাগের উদ্যোগে তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে গত এক দশকে মারা গেছে অন্তত ১২৬টি হাতি। এর মধ্যে ২৪টি হাতির মৃত্যু হয়েছে বৈদ্যুতিক শকে। গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ৯টিকে। মাইন বিস্ফোরণে মারা গেছে দুটি। অবৈধ শিকারে মারা গেছে আরও দুটি। বাকি হাতিগুলো মারা গেছে অসুস্থতা, খাদ্যসংকট, দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে।